Travel: পাহাড়ের মাঝে লুকিয়ে হ্রদ, চোখের প্রশান্তি নিতে ঘুরে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়ানোর জন্য যাঁরা অফবিট জায়গা খুঁজছেন তাঁদের জন্য রইল এই অচেনা জায়গার সন্ধান। একরাতের সফরেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। একেবারে ঘরের কাছের সেই জায়গাটির নাম হল ভঞ্জনগর নেচার ক্যাম্প। ওড়িশার একেবারে অচেনা একটা জায়গা।
এখানে প্রকৃিতর মাঝে বেশ কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। যাঁরা পুরী যাওয়ার প্ল্যান করছেন তাঁরা পুরীর সঙ্গে এই অচেনা জায়গাটি ঘুরে নিতে পারেন। বাঙালির কাছে পুরীর জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। হানিমুন থেকে উইকেন্ড ট্যুর সবেতেই পুরীর জুরি মেলা ভার। বাঙালির কাছে এতোটাই জনপ্রিয় পুরী।

তবে পুরী ছাড়াও ওড়িশায় একাধিক দেখার জায়গা রয়েছে। তারমধ্যে একটি হল ওড়িশার ভঞ্জনগর। এখানকার নেচারপার্কের কথা খুব কম পর্যটকরাই জানেন। সেকারণে এখানে পর্যটকদের তেমন ঠাসা ভিড় হয় না। কলকাতা থেকে ট্রেনে ভুবনেশ্বর এসে সেখান থেকে গাড়িতে পৌঁছে যাওয়া যায় ভঞ্জনগর নেচার ক্যাম্প। ভুবনেশ্বর থেকে ভঞ্জনগরের দূরত্ব ১৮৬ কিলোমিটার। আড়াই ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাওয়া যায় সেখানে। সেখানে যাওয়ার রাস্তাটিএও অসাধারণ। পাশেই চিল্কা। চিল্কার পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে রাস্তা।
আবার যদি নিজেদের গাড়ি নিয়ে যেতে চান সেটাও যেতে পারেন। রাস্তা ভীষণ ভাল। সবটাই জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে যাওয়া যায়। দেখতে দেখতে প্রকৃতি এবং চারিপাশ বদলাতে শুরু করে। জাতীয় সড়কের দুপাশের রাস্তা অসাদারণ। শেষ ৯০ কিলোমিটার অবশ্য রাজ্য সড়ক। গাড়ি নিয়ে যেতে যেতে হরিণ- ময়ূর দেখতে পাবেন। সকাল সকাল সেখানে পৌঁছে টিকিট কেটে নিন। গাড়ি নিয়েই নেচার ক্যাম্পের ভেতরে ঢুকতে পারবেন।
একেবারে জলাধারের সামনেই ছোট ছোট কটেজ রয়েছে। সেখানে থাকার জায়গা। একেবারে জলাধারের গায়ে রয়েছে এই নেচার ক্যাম্পটি। তিনদিকে পাহাড় দেখে মনে হবে বিদেশের কোনও জায়গায় রয়েছেন। আবার এখানে টেন্টে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারণ। একেবারে বাঙালি খাবারদাবার। এখানকার জলাধারে মাছ ধরার বন্দোবস্তও রয়েছে। পর্যটকদের জন্য ড্যামের জলেরক মাঝে একটা ভিউ পয়েন্ট তৈরি করা রয়েছে। বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে সেখানে যেতে হয়। যাঁরা রিলস করতে ভালবাসেন তাঁদের জন্য সেরা জায়গা।












Click it and Unblock the Notifications