Travel: ৪০ ছুঁই ছুঁই পারদ, হিমেল পরশ পেতে ঘুরে আসুন এই পাহাড়ি গ্রামে
গরমে ত্রাহি দশা দক্ষিণবঙ্গবাসীর। উত্তরবঙ্গে এখনও উষ্ণতারপ আঁচ তেমন পৌঁছয়নি। কিন্তু চৈত্রেই তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়ে গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়। আর কলকাতাতে তো চাঁদিফাটা রোদ তার সঙ্গে তীব্র গরম। চৈত্রেই বৈশাখের উষ্ণতা।
আর এই গরমে পয়লা বৈশাখ ভাবলেই কেমন একটা অস্বস্তি বোধ হচ্ছে। এই গরমে খাবেনই বা কি আবার খাওয়াবেনই বা কি। কাজেই এই গরম থেকে বাঁচতে হলে চলে আসুন পাহাড়ের এই ছোট্ট গ্রামে। একেবারে অচেনা একটা জায়গা। কালিম্পংয়ের কাছে জায়গাটির নাম বেনদা। ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। পর্যটকদের আনাগোনা একেবারেই কম।

নদীর পাড়ে ছোট ছোট কটেজে থাকার ব্যবস্থা। মন ভরে নদীর কুলকুল বেগে বয়ে যাওয়া উপভোগ করতে করতে গা ভিজিয়ে নিন। তারপরে নদীর পাড়ে বসে জমিয়ে খাওয়াদাওয়া। চাইলে বাঙালি খাবারও পেয়ে যাবেন। মানে পয়লা বৈশাখের মাছ ভাতও জুটে যাবে এখানে। পাহাড়ে বসে পয়লা বৈশাখে ভুড়িভোজ হয়ে যাবে।
হোমস্টের বাগানে অরগ্যানিক সবজি। তার সঙ্গে নদীর মাছ। গরম গরম মাছ ভাজা, ভাত-ডাল সবই পাওয়া যাবে এখানেষ। এবারে ষোলো আনা বাঙালিআনার পথে না গিয়ে এবার একটু অন্যরকম ভাবে কাটিয়ে দেওয়া যেতেই পারে এই বেনদায়। বেনদা শব্দটি কিন্তু লেপচা শব্দ। যার অর্থ ভগবানের বাস। অর্থাৎ বেনদা মানে ভগবােনর বাস যেখানে। এখানে প্রকৃতি এতোটাই সুন্দর সত্যিই স্বর্গীয় অনুভূতি হবে এখানে এলে।
ঋষি নদীর জল এই সময় একটু কম থাকে। বর্ষা কালে জলের স্তর বেড়ে যায়। এখন যেহেতু জল কম, তাই রিভার বেডে নেমে গিয়ে নদীর জলে পা ডুবিয়ে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে দিতে পারেন। আবার মাছ ধরতে পারেন। বয়স্কদের নিয়েও এখানে যেতে পারবেন কারণ হোমস্টের দরজা পর্যন্ত গাড়ি চলে যায়। সিঁড়ি ভাঙতে হবে না এখানে।
এখানে কাছেই রয়েছে একটা পাহাড়ি মন্দির। হেঁটে হেঁটে সেখানেও চলে যেতে পারেন। প্রকৃতির মাঝে নিরিবিলি একটা জায়গা। ছোট ছোট ট্রেকিংয়ের অপশনও রয়েছে এখানে। জঙ্গল নদী পাহাড় একসঙ্গে একটা জায়গাতেই পেয়ে যাবেন। তার সঙ্গে ঠান্ডা পরিবেশ। মন জুড়িয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications