Travel: বর্ষায় উথলে ওঠা নদী, সবুজ ঘাসের গালিচা পাতা বেনাপুর চরে কাটিয়ে আসুন কয়েক ঘণ্টা
বর্ষায় ঘর বন্দি। দিঘা পুরীতে হোটেল ফাঁকা নেই। ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না। সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই বেনাপুর রিভার সাইড বা বেনাপুর বিচে। একেবারে অফবিট একটা জায়গা। অথচ কলকাতার একেবারে কাছে। একবেলা ঘুরেই বাড়ি ফিরে আসা যায়।

বেনাপুর রিভারসাইড
বেনাপুর। অনেকেই নাম শোনেনি। কিন্তু কলকাতার কাছেই যাকে বলে ঢিল ছোড়া দূরত্বের মধ্যেই রয়েছে অসাধারণ একটা বেড়ানোর জায়গা। রূপনারায়ণ নদীর পাড়ে বেনাপুর চর। অনেকে একে বেনাপুর বিচও বলে থাকেন। বেনাপুর রিভার সাইড বললেও ভুল হবে না। গাড়িতে বা বাইকে করে সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরে আসা যায় এখান থেকে। এতোটাই কাছে এই বেনাপুর চর।

রূপনারায়ণের পাড়ে
বর্ষায় রূপনারায়ণ নদী একেবারে ভরে যায়। টলটলে পরিষ্কার জল আর তার পাড়ে সবুজ ঘাসের মাঠ। নদীর পাশে সরু একটা খাড়িও রয়েছে। অসাধারণ সুন্দর একটা জায়গা। এখানে দাঁড়িয়ে নদীর উপরে বৃষ্টি পড়ার দৃশ্য মুগ্ধ করবে। নদীর পাড়ের সবুজ ঘাসের মাঠ আরও সুন্দর করে তুলেছে চারপাশটা। মাঠের মাঝে মাঝে গাছও রয়েছে। দূর থেকে দেখে পিচকার কার্ড বলে মনে হবে।

মাছ ধরে চাষীরা
রূপনারায়ণের পাড়ে মাছ ধরাও দেখতে পাবেন। ভাটায় জল অনেকটা দূরে চলে যায় তখন অনেকে আবার মাছ ধরতে নেমে পড়েন। চাইলে এখান থেকে মাছ কিনে নিয়ে যেতে পারেন। তবে এখানে খাবার তেমন কোনও বন্দোবস্ত নেই। তাই বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসাই ভাল। একেবারে মনসুন পিকনিস সেরে ফেলুন এই বেনাপুর চড়ে। এখানে অনেক মাছ ধরার নৌকাও দেখা যায়।

কীভাবে যাবেন
বেনাপুর যাওয়ার রাস্তা একেবারেই সোজা। বাগনান হয়ে আসা যায় এখানে। বাইকে অথবা গাড়িতে এখানে আসতে হলে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাগনানে আসতে হবে প্রথমে। বাগনান থেকে আনটিলা ব্রিজ পার করে চলে আসা যায়। গাড়িতে এবং বাইকে ২ ঘণ্টা মত সময় লাগবে এখানে আসতে। আর ট্রেনে এলে খড়গপুর-মেদিনীপুর অথবা পাঁশকুড়া লোকাল ধরে বাগনানে নেমে যেতে হবে। সেখান থেকে ভাড়ার গাড়ি পাওয়া যায় বেনাপুরের জন্য। ম্যাজিক গাড়ি ভাড়া জনপ্রতি ২০ টাকা।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications