Travel: বৈষ্ণোদেবীর মতোই তিন দেবীর পুজো হয় এখানে, কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই সতীপীঠ
সামনেই আসছে নবরাত্রি। আর একমাসের অপেক্ষা। তারপরেই গোটা ভারতে শুরু হয়ে যাবে নবরাত্রির উৎসব। এই সময় সবচেয়ে বেশি ভিড় হয় বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে। তিন দেবীর অবস্থান সেখানে। জানেন কি কলকাতার কাছেও রয়েছে আরেক মিনি বৈষ্ণোদেবী। সেখানেও পূজিত হন তিন দেবী।
সপ্তাহান্তের ছুটিতে অনায়াসেই বেড়িয়ে আসা যায়। এই মিনি বৈষ্ণোদেবীকে বলা হয় বিন্দু ধাম। হাওড়া থেকে ট্রেনে কয়েক ঘণ্টার সফরে পৌঁছে যাওয়া যায় বারহাওড়া। সেখান থেকে গাড়িতে চলে আসুন এই সতীপীঠে। যাকে বিন্দুবাসিনী মন্দিরও বলা হয়ে থাকে। বর্ষায় এই জায়গা আরও সবুজ হয়ে ওঠে। নবরাত্রি সময় বেশি ভিড় হয় এখানে। অন্যান্য সময় তেমন ভিড় থাকে না।

বর্ষার সময় ঝাড়খণ্ডের আবহাওয়া মনোরম থাকে। সেকারণে এই সময়ে এখানে আসা সবচেয়ে ভাল। ভিড়ও কম থাকে। চারিদিকে গাছের সমারোহ। পাহাড়ের উপরে রয়েছে মন্দিরটি। মন্দির চত্ত্বর অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এবং পরিষ্কার। কথিত আছে সতীর দেহাংশ পড়েছিল এখানে। তিন বিন্দু রক্ত নাকি পড়েিছল এই পাহাড়ের মাথায়। সেই থেকেই বিন্দু বাসিনী মন্দিরের। এখানে মহাসরস্বতী, মহালক্ষ্মী এবং মহাকালী একই জায়গায় পুজিকত হন।
তিন দেবীর মন্দিরই রয়েছে একস্থানে। সিঁড়ি দিয়ে ধাপে ধাপে উঠে পড়তে হয় মন্দিরে। দর্শণার্থীদের জন্য সুন্দর সিঁড়ি এবং শেডের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। মন্দিরের চারপাশে রয়েছে পুজোর সামগ্রির ভিড়। এখানে মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে আসেন ভক্তরা। মন্দিরের আশপাশে অতিথি শালাও রয়েছে।

এই মন্দির যে পাহাড়ে অবস্থিত তার উপরে নাকি রয়েছে হনুমানের পায়ের ছাপ। সেখানে হনুমানের একটি বিশাল মূর্তি রয়েছে। কথিত আছে বিশল্যকরণীর সন্ধানে যখন হনুমানজি গন্ধমাদন পর্বত নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন এই পাহাড়েরক উপরে তিনি পা রেখেছিলেন। সেই পায়ের ছাপ এখনও রয়েছে। সেই শিলাটিকে পুজো করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications