Travel: জানুয়ারির উইকেন্ডে ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই বাদামপাহাড়ে
জানুয়ারিতে উইকেন্ড ট্রিপে কোথায় যাবেন ভাবছেন কাছেই রয়েছে এক অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। শীতের শেবেলায় বেড়াতে মন্দ লাগবে না। ওড়িশার সুলাইপাত। অফবিট পর্যটন কেন্দ্র। এখানে গেলে দেখার অনেক কিছু রয়েছে। যেমন বাদামপাহাড়, খড়কাই ড্যাম, বাংবল ড্যাম।
পাশের রাজ্য ওড়িশা মানেই বাঙালির কাছে পুরী আর চিলকা। কিন্তু তার বাইরে যে অসংখ্য দেখার জায়গা রয়েছে সেটা অনেকেই জানেন না। সেরকমই একটা অচেনা জায়গা সুলাইপাত বা বাদামপাহাড়। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের সীমান্ত লাগোয়া এলাকা। সেকারণে এখানকার মাটি রুক্ষ-শুষ্ক এবং লাল।

চারিদিকে শাল-পিয়াল আর মহুয়া গাছে ভরা। এই সময় অর্থাৎ শীতের শেষবেলায় বা বসন্তের প্রথমে সেখানে গেলে এই সুলাই পাল একরমক লাল হতে শুরু করে। মহুয়ার গন্ধ মাদকতা ছড়িয়ে রাখে। ফুটতে শুরু করে শাল-পিয়াল। আরক এই শাল-পিয়ালের জঙ্গলের মাঝে রয়েছে খড়কাই জলাধার। একে সুলাইপাত জলাধারও বলা হয়ে থাকে।
মূলত আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা এটি। বাংরিপোসি থেকে সুলাইপাতের দূরত্ব ৪৫ কিলোমিটার। এই যাত্রা পথে দেখে নিতে পারবেন বাংবল জলাধার। এখান থেকে অসাধারণ লাগে সূর্যাস্ত দেখতে। দুয়ারসিনি মাতার মন্দিরও রয়েছে জলাধারের কাছেই। আবার এই মন্দিরের কাছেই বসে একটি আদিবাসীদের হাট। যার নাম বিষয়ীর হাট।
জঙ্গলের পথ কিছুটা পেরিয়ে গেলেই দেখা মিলবে বুড়িবালাম নদীর। এই বুড়িবালাম নদীর সঙ্গে বাঙালির এক আত্মিক টান রয়েছে। এই বুড়িবালাম নদী দেখে চলে আসুন ওড়িশার ডোকরা শিল্পীদের গ্রাম কুলিয়ানায়। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বিকনায় যেমন ডোকরা তৈরি হয় এখানেও সেরকম ডোকরা তৈরি হয়।
এখানে আসার একাধিক ট্রেন রয়েছে। ট্রেনপথেই এখানে আসা সহজ হয়। ইস্পাত এক্সপ্রেস থেকে শুরু করে হাওড়া রাঁচি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস একাধিক ট্রেন রয়েছে বাংরিপোসি আসার জন্য। আবার ধর্মতলা থেকে বারিপদা বাসও ছাড়ে। নিজের গাড়িতেও এখােন চলে আসলতে পারেন। বাংরিপোসি থেকে ব্রাহ্মণী কুণ্ডও ঘুরে নিতে পারেন। মোটের উপর সেরা উইকেন্ড ট্রিপ বলাই যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications