Travel: ৭০০ পাহাড় একসঙ্গে, কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা ঘুরে আসুন শীতেরছুটিতে
৭০০ পাহাড়ের দেশ। শুনে অবাক লাগলেও সেটাই সত্যি। ওড়িশার এমন একটি জায়গা রয়েছে যেখানে নাকি ৭০০ পাহাড় রয়েছে এক জায়গা। কলকাতা থেকে তার দূরত্ব খুব বেশি দূরে নয়। ওড়িশা মানেই পুরী। কিন্তু পুরীর বাইরে একাধিক জায়গা রয়েছে ওড়িশায়।
পাহাড়ের জঙ্গলের থেকে মালভূমির জঙ্গল একটু আলাদা। পাহাড়ে যেখানে জঙ্গল মানেই ভেজা ভেজা আবহাওয়া। মালভূমির পাহাড়ের পরিবেশ কিন্তু এর থেকে একেবারেই আলাদা। এখানে জঙ্গল অনেক বেশি রুক্ষ-শুস্ক। এখানে আসতে হলে ট্রেনে প্রথমে বারবিল স্টেশনে নামতে হবে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে আসতে হবে কিরিবুরু।

সেখানে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের গেস্ট হাউস রয়েছে। ওড়িশা সরকারের বনদফতরের মাধ্যমে সেখানে বুকিং করতে হয়। আগে থেকে এখানে বুকিং করে আসতে হয়। স্পট বুকিংয়ের তেমন ব্যবস্থা নেই। একেবারে জঙ্গলের মধ্যে এই গেস্ট হাউস। জঙ্গলে ঘুরতে আসার একটা মজাই আলাদা।
কিরিবুরু পাহাড়ের সানসেট দেখার মতো। পাহাড়ে যেমন সানরাইজ দেখতে আগ্রহী থাকেন সকলে। এখানে রয়েছে সানসেট পয়েন্ট। মেঘহাতাবুরু পাহাড় আর কিরিবুরু পাহাড়েরক মাঝে রয়েছে সেই সানসেট পয়েন্ট। এই সানসেট পয়েন্ট থেকেই বোঝা যায় কেন সাতশো পাহাড়ের দেশ বলা হয় একে।
সামনে একের পর এক ঢেউ খেলানো পাহাড়। হাতে গুণে শেষ করা যায় না। সানসেটের সময় পরতে পরতে বদলে যায় রং। একের পাহাড়ে একেক রকমের রঙের পরত। অসাধারণ সেই দৃশ্য। এখানকার কাছেউ আবার রয়েছে সারান্ডা। তার কাছেই রয়েছে থলকোবাদ ফরেস্ট। এটা একটা গভীর জঙ্গল। এখানে ঢুকতে পারমিট লাগে।
দুপুরের পর সেখানো ঢুকতে দেওয়া হয় না এই জঙ্গলে। কারণ এই এলাকাটি এওখনও স্পর্শ কাতর এলাকার মধ্যে পড়ে। বড়বড় শাল গাছের জঙ্গল। বনদফতরের গাড়িতেই সেই জায়গাটি ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে শাল গাছের জঙ্গল এই সারান্ডা। পথে গ্রামের হাট দেখতে পােবন।












Click it and Unblock the Notifications