সুন্দরবনে আটকে পড়ছেন বহু পর্যটক, আন্দোলন শুরু করেছেন লঞ্চ ও বোট মালিকরা, কিন্তু কেন?
শীতের মরসুমে সুন্দরবন এক অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হয়ে ওঠে। হাজার হাজার পর্যটক সুন্দরবন যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। কিন্তু বছরের শুরুতেই তাল কেটেছে। জলযানগুলো পরিষেবা বন্ধ করা দিয়েছে আজ সোমবার থেকে। তাতেই আটকে পড়েছেন সাধারণ পর্যটকরা।
কিন্তু কী হয়েছে? ভরা মরসুমে কেন এই সমস্যা দেখা দিল? জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ অনুমতিপত্র দেয়নি। সেজন্য সুন্দরবনের গভীরে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। এর জেরেই ক্ষোভ - বিক্ষোভ শুরু হয়েছে জলযানগুলির মালিকদের মধ্যে।

ইংরাজি নববর্ষের শুরুতেই বিপাকে পড়লেন হাজার হাজার পর্যটক। নির্দিষ্ট সময় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অনুমতি পত্র পাওয়া যায়নি। তার জন্য সুন্দরবনের জঙ্গলের মধ্যে যাওয়ার অনুমতি পত্র পাওয়া গেল না। আর তার জেরেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছে সুন্দরবনের পাখিরালাতে। বিক্ষোভ চলছে এই সিদ্ধান্তের জন্য। জেরে জলযান গুলো বন্ধ রয়েছে।আটকে পড়ছেন হাজার হাজার ভ্রমণ পিপুসু পর্যটকরা।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছেন কয়েকশো বোট, লঞ্চ মালিক। সুন্দরবনের ভরা মরশুমে এমন কর্মসূচি দেখা গেল। বোট ও লঞ্চ মালিকরা অংশগ্রহণ করায় বিপদে পড়েছেন পর্যটকরা। রাজ্যের তো বটেই বিদেশের হাজার হাজার পর্যটক এই সময় সুন্দরবনে বেড়াতে যান। প্রত্যেকেই সমস্যায় পড়েছেন। কয়েক হাজার পর্যটক আটকে পড়েছেন পাখিরালায় ও দয়াপুরের বিভিন্ন হোটেল ও বোটগুলিতে।
যতক্ষণ না পর্যন্ত জঙ্গলে যাওয়ার অনুমতি পত্র পাওয়া যাচ্ছে। ততক্ষণ এই বিক্ষোভ কর্মসূচি চালানো হবে। এই কথাই জানানো হয়েছে বোট ইউনিয়নের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য জেলা পরিষদের তরফ থেকে সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে বোট চলাচলের অনুমতি পত্র দেওয়া হয়। সেই শংসাপত্র দেখালে তবেই জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতিপত্র পাওয়া যায়।
৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে সেই শংসাপত্রের মেয়াদ। অথচ বহু বোট এখনও জেলা পরিষদের শংসাপত্র পায়নি বলে অভিযোগ।। ফলে মিলছে না জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতি পত্র। মূলত জঙ্গলে প্রবেশের অনুমতিপত্র দিতে হবে। এমনই দাবি লঞ্চ ও বোট মালিকদের। অন্যথায় অনির্দিষ্টকালের জন্য এমন বিক্ষোভ চলবে বলে জানানো হয়ছে।












Click it and Unblock the Notifications