বিরল প্রজাতির স্যালামেন্ডারের বাস এখানে, বেড়িয়ে আসুন নামথিং পোখরি থেকে
উত্তরবঙ্গের বিিভন্ন জায়গা তো অনেক ঘুরেছেন, কিন্তু কখনও বিরল প্রজাতির হিমালয়ান স্যালামেন্ডার দেখেছেন কি। তার জন্য আসতে হবে কার্সিয়াংয়ের কাছে নামথিং পোখরি। পোখরি শব্দের অর্থ পুকুর বা হ্রদ। এই পোখরিতেই বিরল প্রজাতির স্যালামেন্ডারের বাস।
কার্শিয়াংয়ের কাছেই রয়েছে নামথিং পোখরি। পোখরি আসলে একটি হ্রদ। চারিদিকে পাইন গাছ। মাঝ খানে এই পোখরি। এতটাই স্বচ্ছ্ব এই জল যে পোখরির নীচ পর্যন্ত েদখা যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন সেই পোখরির জল অনেকটাই কমে গিয়েছে। এবং ধীরে ধীরে হ্রদের জল কমে যাচ্ছে। নাম থিং পোখরিই হল হিমালয়ান স্যালামেন্ডারদের বাসভূমি।

নামথিং পোখরিকে রহস্যময় বলে দাবি করেন এখানকার বাসিন্দারা। কথিত আছে এই পোখরির দেখাশোনা করতে দুটি সাদা রাজহাঁস। একটি পাতাও এই পোখরিতে পড়তে দিতে না তারা। হঠাৎই একদিন এক শিকারি একটি রাজহাঁসকে মেরে দেয়। তারপরে আর দ্বিতীয় রাজহাঁসটিকে দেখা যায়নি। তারপর থেকে আশপাশের গ্রামের ধস প্রায় আম ঘটনা হয়ে িগয়েছিল। সেকারণে তাঁরা মনে করেন সেই রাজহাঁসের অভিশাপের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এই নামথিং পোখরিতেই রয়েছে সেই বিরল প্রজাতির স্যালামেন্ডার। প্রায় ৩২টি স্যালামেন্ডার এখানে এখনও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পোখরির কােছই রয়েছে একটি লেপার্ড জোন। যেখানে প্রায়ই লেপার্ডের দেখা মেলে। স্যালামেন্ডার ১০০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। পোখরির চারপাশে যেমন রয়েছে পাইন গাছের সমাহার তেমনই রয়েছে সিঙ্কোনা ফরেস্ট।

এই নামথিং পোখরিতে কেবল মাত্র বর্ষাকালেই জল থাকে। বাকি সময়ে জল থাকে না। একে হিডেন লেক বলা হয়ে থাকে। কারণ পাইন গাছ দিয়ে ঘেরা এমন একটা জায়গায় এই লেকটি রয়েছে সেটা দেখার মত। এই নামথিং পোখরির কাছেই রয়েছে আলহাদারা ভিউ পয়েন্ট। যেখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার স ন্দর ভিউ পাওয়া যায়। আবার চা-বাগানের ভিউও পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications