Tonglu: হাতে দু-একটা দিন ছুটি ! চলে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছে অনামী গ্রামে
Tonglu: যেন ঘুমিয়ে আছেন বুদ্ধদেব। এই স্লিপিং বুদ্ধার টানেই প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন দার্জিলিংয়ে। কখনো ম্যালে উঁকি ঝুঁকি আবার কখনও টাইগার হিলে হা পিত্যেস করে ধরনা দেওয়া। কখন দেখা দেন তিনি। অবশ্য যাঁর জন্য অতো ঝক্কি ঝামেলা দার্জিলিংয়ের কাছে এই গ্রামে কিন্তু তিনি প্রায়শয় উদয় হন।
টোংলু। ছোট্ট একটা জায়গা। দার্জিলিংয়ের থেকেও উঁচুতে এর অবস্থান। সেকারণে কাঞ্চনজঙ্ঘার সঙ্গে তার যোগ আরও নিবিড়। সপ্তাহান্তের ছুটিতে যাঁরা দার্জিলিং যাচ্ছেন তাঁরা একটা দিন কাটিয়ে আসুন এখানে। দার্জিলিং থেকে একবেলায় ঘুরেও আসতে পারেন এখানে।

পাহাড়ের বাঁেক বাঁকে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে সঙ্গে নিয়ে উঠতে থাকে গাড়ি। সান্দাকফু যাওয়ার পথেই এর অবস্থান। এখানে যায়ার পথে মিলবে চিত্রে। সেখানেও অনেকে বেড়াতে যান। চিত্রে থেকে আরেকটু উপরে উঠলেই টোংলু। ছোট্ট গ্রাম। দুটি কয়েক বাড়ি। রাস্তাও বেশ চড়াই। বর্ষা কালে এখানকার রাস্তা দিয়ে যেন মেঘ হেঁটে যায়। মেঘালয়ের মতো গা ছুঁয়ে যায় মেঘ।
সে এক মনোরকম অনুভূতি। বৃষ্টি অনেকেই পছন্দ করেন না। আবার অনেকেই পাহাড়ে বৃষ্টি দেখতে ভিড় করেন। করোনার পর থেকে ভ্রমণ পিপাসু বাঙালি যেন আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা কোনও কিছুতেই পাহাড়কে ছাড়তে নারাজ। এবার বর্ষায় রেকর্ড ভিড় হয়েছে দার্জিলিংয়ে। এখনও হয়ে চলেছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই দার্জিলিংয়ে ছুটছেন দলে দলে পর্যটক। সামনেই স্বাধীনতা দিবসের ছুটি। এই ছুটিতে ইতিমধ্যেই অনেকে পাড়ি জমিয়ে ফেলেছেন দার্জিলিংয়ে।
শুধু দার্জিলিং কেন আশপাশের অনেক অফবিট লোকেশনের হোমস্টে গুলি পর্যন্ত ভর্তি হয়ে রয়েছে। কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখা দিক না দিক তার অস্তিত্ব নিয়েই খুশি পর্যটকরা। পাহাড়ে মেঘের খেলাও তাঁদের প্রিয় হয়ে উঠেছে। আর এই সময়ে টোংলু। সেতো যেন স্বর্গের আরেক রূপ। টোংলুতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মেজাজটাই বদলে যােব। কখন যে মেঘের ঘোমটা সরিয়ে উঁকি দেবে কঞ্চন জঙ্ঘা বুঝতেই পারবেন না। হঠাৎ তার আবির্ভাব চমকে দেওয়ার মতো মনে হবে।
অনেকটা উঁচুতে হওয়ায় কাঞ্চনজঙ্ঘা আর টোংলুর মাঝে তেমন কেউ বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় না। একেবারে উন্মুক্ত প্রান্তরে দেখা যায় তার রূপ। দুচোখ ভরে তাঁর সৌন্দর্য বন্দি করে নেওয়ার সুযোগ নিয়ে সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন এখানে। দার্জিলিং থেকে খুব বেশি দূরে নয়। তবে আগে থেকে থাকার জায়গাটা বুক করে নেবেন। কারণ এখানে মাত্র দুটি হোমস্টেতেই থাকার সুবিধে রয়েছে।
আর টোলুর পোখরিতে কাঞ্চনজঙ্ঘার প্রতিচ্ছবিতে মুগ্ধ করবেন। অসাধারণ সেই সৌন্দর্য। অনবেকে এখানে শ্যুটিং করতে আসেন। এই দৃশ্য দার্জিলিংয়েও অমিল। জিটিএ-র একটি থাকার জায়গা রয়েছে এই পোখরির কাছে। তার জন্য কলকাতা থেকে বুকিং করে আসতে হয়। এখান থেকে সূর্যাস্ত আরো সুন্দর।












Click it and Unblock the Notifications