Thapa Gaon: মেঘকেটে চলে গিয়েছে রাস্তা, বেড়িয়ে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছেই এই বার্ড প্যারাডাইসে
পুজোর ছুটিতে সঙ্গীকে নিয়ে নির্জনে কোথাও সময় কাটাতে চান। তাঁদের জন্য সেরা জায়গা থাপা গাঁও। যাকে বার্ড প্যারাডাইস বলা হয়। পাহাড়, জঙ্গল, নদী আর মেঘের সাম্রাজ্য এখানে। খুূব একটা জনসমাগম হয়না এই থাপা গাঁও। দার্জিলিংয়ের কাছে বলে বেশিরভাগ পর্যটক দার্জিলিংয়েই সময় কাটিয়ে চলে যান।
কিন্তু দার্জিলিংয়ের ভিঁড়ে যাঁদের থাকতে ইচ্ছে করে না তাঁদের জন্য এই থাপা গাঁও সেরা জায়গা। এখানে আপার রেলিংয়ের মধ্যে পড়ে এই জায়গাটি। চারিদিকে নিঝুম শান্ত পরিবেশ। অসংখ্য নাম না জানার পাখির আনাগোনা এখানে। তাই কোলাহল এখানে এলে না করাই ভাল। চুপচাপ কেবল পাখি দেখে যান।

যাঁরা বার্ডিং করতে ভালবাসেন তাঁদের সেরা জায়গা এটি। ঘুম ভাঙবে অজানা সব পাখির ডাকে। জানলায় উঁকি দিয়ে যাবে সুন্দরী সব পাখি। জঙ্গলের মাঝেই রয়েছে এই জায়গাটি। ঘন কুয়াশা মাখা আকাশে যখন সন্ধে নামে তখন প্রকৃতির সেই সম্মোহন সারাজীবন মনে থেকে যাবে। হোম স্টের কটেজে বসে পাহাড়ে সন্ধে নামা উপভোগ করতে পারেন। সঙ্গে নিয়ে নিন মোমো আর কফি।
রাতের অন্ধকার নামলে বেড়ে যায় ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। দূরের জঙ্গলের অন্ধকার আরও নিকশ কালো হয়ে যায়। যাঁরা প্রকৃতিপ্রেমী তাঁদের এই জায়গা মুগ্ধ করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখানে টেন্টে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। বিজনবাড়ি থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে এই জায়গাটি। পর্যটকদের তেমন আনাগোনা নেই। সেকারমে হোমস্টের সংখ্যাও খুব কম। তাই আগে থেকে বুক করে আসা ভাল।

কাছেই রয়েছে চোট রঙ্গিত নদী। সেখানে ট্রেক করেও যাওয়া যায়। আবার গাড়িতেও যাওয়া যায় এখানে। বর্ষায় ছোট রঙ্গিত নদী আরও উচ্ছ্বল হয়ে ওঠে। নদীর উপরে আবার ছোট একটি ব্রিজ রয়েছে। সেটি পেরিয়ে গেলেই রয়েছে চা বাগান। যার নাম মিম টি এস্টেট। অনেক পর্যটক আবার মিম টি এসটেটেও থাকেন। এখানে একটি পাথর রয়েছে যেটির আকৃতি গণেশের মতো সেকারণে এখানকার বাসিন্দারা পুজো করে থাকেন।
শিলিগুড়ি থেকে এখানে আসা যায় শেয়ার গাড়িতেও। শেয়ার গাড়িতে আসতে একটু বেশি সময় লাগে। তাড়াতাড়ি আসতে চাইলে নিজেরা গাড়ি ভাড়া করে আসতে পারেন আবার হোম স্টেকে আগে থেকে বলে রাখলে তাঁরাও গাড়ি পাঠিয়ে দেন। শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় থেকে দার্জিলিং এসে সেখান থেকে গাড়িতে আসা যায়। রেলিং যাওয়ার গাড়িতে আসা যায়।












Click it and Unblock the Notifications