Tepantar Gram: শাল-পিয়ালের জঙ্গলে ছোট্ট কটেজ, বর্ষা উপভোগ করতে চলে আসুন তেপান্তরে
তেপান্তরে পারে যাব। বাঙালিদের কাছে একেবারে মৌখিক কথা এটি। কোথায় যাচ্ছ প্রশ্ন করলেই অনেকে মজার ছলে জবাব দেন তেপান্তরের পারে। জানেন কি সত্যিই তেপান্তর বলে একটি জায়গা রয়েছে। আর যেটি এই বর্ষায় বেড়ানোর আদর্শ জায়গা। তাও আবার কলকাতার কাছেই।
বর্ষায় পুরুলিয়া
গরম চাঁদিফাটা গরম। আর শীতে হাড় কাঁপুনি ঠান্ডা। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম বেড়ানোর তাই আদর্শ সময় এই বর্ষাকাল। বৃষ্টিতে গরমের দাপট অতটা থাকে না। লাল মাটির জেলা কাজেই হাঁটু জল-কাদা এসবের ভয় নেই। আর গরমে শুকিয়ে যাওয়া শাল-পিয়ালের জঙ্গল এই সময় আরও সবুজ হয়ে ওঠে। তার উপরে সুন্দর রাস্তা। যাতায়াতেরও কোনও সমস্যা নেই কলকাতা থেকে বেশি দূরেও নয়। একেবারে পারফেক্ট ডেস্টিনেশন বললে ভুল হবে না।

তেপান্তর গ্রাম
অযোধ্যা পাহাড় তো সকলেই দেখেছেন কিন্তু জানেন কি এই পুরুলিয়ােত-বাঁকুড়া রয়েছে তেপান্তর গ্রাম। তেপান্তর নামটা শুনেই অনেকেই বাঙালির মৌখিক কথা তেপান্তর অর্থাৎ উদ্দেশ্যহীন অজানা কোনও জায়গার কথা বোঝান। কিন্তু বাস্তবেই তেপান্তর যে রয়েছে সেটা পুরুলিয়ার এই গ্রামে এলেই বোঝা যাবে। এখানে রয়েছে সুন্দর একটি রিসর্ট। যেখানে সপ্তাহান্তের কয়েকটা দিন কাটিয়ে যাওয়া যায়।
পলাশের জঙ্গল
পলাশের জঙ্গলের ভেতরেই রয়েছে এই রিসর্ট। লাল মাটির মেঠো পথ দিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। পশ্চিম বাঁকুডার একি আদিবাসী অধ্যুসিত এলাকা এই তেপান্তর গ্রাম। শালপিয়ালের জঙ্গলের মধ্যে অসাধারণ একটা জায়গা। ছোট ছোট কটেজ রয়েছে জঙ্গলের মধ্যে। রয়েছে কেভ হাউস। অর্থাৎ লাল ঢিবির নীচে ঘর তৈরি করা হয়েছে। যেমনটা গুহা হয়। সেখানে অবশ্য সব আধুনিক পরিষেবাই রয়েছে। আবার মাটির ঘরে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। আবার ট্রি হাউসও রয়েছে এখানে।

তেপান্তরে আসবেন কীভাবে
তেপান্তরে আসতে হলে আগে থেকে বুকিং করে আসতে হবে। কারণ এখানে খালি থাকে না। অনলাইনে বুক করা যায়। এখানে গাড়ি করে আসাই ভাল। কারণ তেমন ভাল বাসের যোগাযোগ নেই। তবে বাঁকুড়া থেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। আগে থেকে তার জন্য কথা বলে নেওয়া জরুরি।












Click it and Unblock the Notifications