Travel: পাহাড়-জঙ্গল-ঝরনার মাঝে কাটিয়ে আসুন বছর শেষের ছুটির কটা দিন, কলকাতার কাছেই রয়েছে সেই জায়গা
কোনও জানা পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র ফাঁকা নেই এখন। সব জায়গায় ভিড়ে ঠাসা। ট্রেনে-বাসের টিকিট পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু এরই মধ্যে বেড়াতে যেতে মন চাইছে। তাঁদের জন্য রইল এক অফবিট লোকেশন। যেখাে এখনও তেমন পর্যটকের ভিড় হয় না।
পাশের রাজ্য ওড়িশা বরাবরই আমাদের অর্থাৎ বাঙালিদের বেড়ানোর পছন্দের জায়গা। কিছু হলেই পুরী, চাঁদিপুর, চিল্কা তো রয়েইছে। সেই তালিকায় আবার যোগ হয়েছে ভিতর কনিকা সহ একাধিক পর্যটন কেন্দ্র। তবে ওড়িশার টেনসার কথা কেউ তেমন ভাবে জানেন না। এটি প্রধানত একটি লোহ আকরিক উত্তলন কেন্দ্র। খনি এলাকা বললে ভুল হবে না।

টেনসা খনি এলাকা হলেও এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কিন্তু অসাধারণ। আদিবাসীদের এলাকা মূলত এটি। চারিদিকে সবুজ পাহাড়, ঝরনা নিয়ে সুন্দর এই জায়গা। আদিবাসী খাবারের স্বাদ নিতে নিতে এখােন কটা দিন কাটিেয় আসুন। অসাধারণ সুন্দর লাগবে থাকতে। একেবারে নিরিবিলি একটা জায়গা।
এখানে একদিকে যেমন আছে পাহাড় তেমন আছে ঝরনা আবার তেমনই রয়েছে নদী। আদিবাসী অধ্যুসিত এলাকা হওয়ার কারণে এখানকার পরিবেশে একটা আলাদা রকমের মাধুর্য রয়েছে। দেখতে পাবেন টেহরি ফলস। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে আসতে পারেন। পারলে পিকনিকও সেরে নিতে পারেন।
আবার লোহার খনিও ঘুরে দেখতে পাবেন। টেনসা মাই, বারসূয়া আয়রন মাইন। কাছেই রয়েছে খণ্ডধর রোড। ৭০০ সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয় সেই পাহাড়ে। ব্রাহ্মণী নদীতে নৌকা বিহারও করা যায়। সেখানে মাছ ধরতে যেতেও পারবেন।
এখানে আসতে হলে প্রথমে রাউরকেল্লায় আসতে হবে। ওড়িশার সুন্দরগড় জেলায় রয়েছে এই পর্যটন কেন্দ্র। রৌরকেল্লা থেকে গাড়িতে যেতে হবে সেখানে। খনি এলাকা হওয়ায় জনবসতিও তেমন নেই। সেকারণে বেশ িনরিবিলিতে কাটিয়ে দিতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications