চা-বাগান আর সিঞ্চল অভয়ারণ্যে হারিয়ে যেতে চান, চলে আসুন এই পাহাড়ি গ্রামে
সান্দাকফুতে ফের শুরু হয়ে গিয়েছে তুষারপাত। চারপাশে বেশ মনোরম আবহাওয়া। গরমের দাপট তেমন নেই। মন বেড়াতে যেতে চাইছে। এই মনোরম আবহাওয়ায় ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন। আর বেড়িয়ে আসুন দার্জিলিংয়ের এই অফবিট লোকেশন থেকে।

অফবিট দার্জিলিং
দার্জিলিং যেতে কার না ভালো লাগে। কিন্তু বুকিং পাওয়াই তো দুষ্কর। তার বদলে এমন জায়গায় যদি যাওয়া যায় যেখানে অনায়ােস বেড়িয়ে আসা যায় দার্জিলিং থেকে। মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বের মধ্যেই পড়বে দার্জিলিং। এমনই একটা জায়গা মোনাদা হাট্টা। এখান থেকে অনায়াসেই দেখে আসা যায় টাইগার হিলের সূর্যোদয়। দার্জিলিংয়ের এঅতটাই কাছে এই অফবিট লোকেশন।

চা বাগান-জঙ্গলের সহাবস্থান
মোনাদা হট্ট নামে জায়গাটি একেবারেই নতুন পর্যটকদের জন্য। এখানে বিদেশি পর্যটকরাই বেশি ভিড় করেন। এখা্ন থেকে বেড়ানোর একাধিক জায়গা রয়েছে। দার্জিলিং তো রয়েইছে। রয়েছে আরও অনেক জায়গা। কাছেই রয়েটে গোর্কো। সেখানে একটি চার্চ রয়েছে। পাহাড়ের সিঁড়ি ভেঙে যেতে হয় সেই চার্চে। খুব সুন্দর জায়গায় চার্চটির অবস্থান।

পঞ্চকন্যা মন্দির
এই চার্চের কাছেই আবার রয়েছে পঞ্চ কন্যা মন্দির। ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যেতে হয় এই মন্দিরে। যাওয়ার পথটা বেশ রোমাঞ্চকর। অনেকগুলি সিঁড়ি ভেঙে নীচে নেমে পাহাড়ের গুহার মত একটা জায়গায় হয় পুজো। সএই মন্দিয়ে যাওয়ার পথটা বেশ অ্যাডভেঞ্চার বললে ভুল হবে না। তারপরেই গাড়ি করে বেড়িয়ে আসতে পারেন চা বাগানে। সাত নম্বর দারার চাবাগান মুগ্ধ করবেই। এতটাই সুন্দর জায়গাটা সারাদিন এখানে কাটিয়ে দেওয়া যায়।

সকালের চা-বাগান
সকালের চাবাগান দেখেছেন কখনও এখানে এসে অনায়াসে সোনাদার দা-বাগান মুগ্ধ করবে। মেঘের খেলা পাহাড়ের কোলে। রয়েছে অমনেক চা কারখানা। কীভাবে চা তৈরি হয় সেটা দেখতে পাবেন এখানে এলে। কাছে পিঠে একাদিক চা বাগান রয়েছে। দার্জিলিং যেতে কেবলমাত্র একটি চা-বাগানই দেখা যায়। সারাদিন চা বাগানের পথে পথে কাটিয়ে দেওয়া যায়। অসাধারণ ল্যান্ডস্কেপ।
ছবি সৌ:পিটিআই ও ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications