তাবাকোশি, দার্জিলিংয়ের কাছে কম খরচে বেড়ানোর অফবিট ডেস্টিনেশন
তাবাকোশি। দুই পাশে দুই চা-বাগান আর মাঝে ছোট্ট গ্রাম। তারই নাম তাবাকোশি। রংভন নদীর তীরে রয়েছে এই ছোট্টগ্রাম। মিরিকের একেবারেই কাছে। একদিকে সাংমা টি-এসটেট আরেক দিকে ধার্বো টিএসস্টেট। চাবাগানের মাঝে ছোট্ট গ্রামে কাটিয়ে আসুন এই ছোট্ট গ্রামে।
দার্জিলিংয়ের পাহাড়ের কোলে ছোট্ট গ্রাম তাবাকোশি। অপূর্ব সুন্দর তার এই গ্রাম। একদিকে পাহাড়ি নদী রনভন আরেকদিকে চা বাগান। গ্রামের মধ্য দিয়েই বয়ে গিয়েছে এই নদী। ছোট ছোট কটেজের মত বাড়ি এই গ্রামজুড়ে। খুব বেশি মানুষের বাস নেই। গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়ির সহ্গেই রয়েছে বাগান। তারে রংবেরংয়ের বাহারি ফুলের বাগান রয়েছে। এখানে থাকার জায়গা বলতে হোমস্টে।

গরমের ছুটিতে কেউ কয়েকটা দিন এই নিরিবিলিতে কাটিয়ে যেতে পারেন। এখানে অনেক ধরনের হোমস্টে রয়েছে। চাইলে নিজে রান্না করে খেতে পারেন। আবার চাইলে স্থানীয় খাবারও খাওয়ার সুযোগ পাবেন। এখানে পাওয়া যায় রডোডেনড্রনের ওয়াই। নাম মাত্র অ্যালকোহল দেওয়া। যার স্বাদ নিতে মন্দ লাগবে না কারোর। কাঁসার বাসনে মিলবে খাবার। আবার টেন্টেও থাকার ব্যবস্থা করা আছে।

সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে চায়ের কাপে চুমুক দিন। তারপরে ব্রেকফাস্ট সেরে বেড়িয়ে পড়ুন গ্রাম ভ্রমণে। বেশিক্ষণ সময় লাগবে না গ্রাম ঘুরে দেখতে। পায়ে পায়ে গেঁটে ঘণ্টা ২য়েকের মধ্যেই বেড়িয়ে নেওয়া যায় গ্রামটি। কাছেই একটা পার্কও রয়েছে। সেখানেও বেশ কিছুটা সময় কাটানো যায়। আবার নদীর পাড়েও কাটিয়ে দিতে পারবেন বেশ কিছুটা সময়।

শিলিগুড়ি থেকে তাবাকোশি যেতে সময় লাগে ২ ঘণ্টা। গাড়ি ভাড়া খুব বেশি নয়। এখান থেকে মিরিক যাওয়ার রাস্তাও খুব সোজা। মিরিক ঘুরে দেখা যায়। পথে পড়বে টুমলিং ভিউ পয়েন্ট। বেড়িয়ে আসতে পারেন দোপালধারা টিএসটেট। মিরিক বেড়ানো হয়ে গেলে চলে যান দার্জিলিং। মিরিক থেকে পশুপতি মার্কেটে যাওয়া যায়। একমাত্র ভারতীয় এবং নেপালিরা যেতে পারেন এই মার্কেটে।












Click it and Unblock the Notifications