ভাস্যমান হোম স্টেতে থেকেছেন কখনও, কলকাতার কাছেই পাবেন ছুটি কাটানোর এমন সুযোগ
তীব্র গরমে সকলেই ছুটছেন পাহাড়ে। একটু ঠান্ডার পরশ নিয়ে আসতে। কিন্তু কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন একটি অফবিট স্পট যেখানে গেলে ফুরফুরে হাওয়ায় শরীর এবং মন দুটোই ঠান্ডা হয়ে যাবে। গরমের পারফেক্স ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন বললে ভুল হবে না।

ভাস্যমান হোম স্টে বা ফ্লোটিং হোম স্টে
পর্যটনের জগতে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় হোম স্টে। হোটেলে থাকতে অনেকেই এখন আর পছন্দ করছেন না। বেড়াতে গিয়েও বেশ ঘরোয়া পরিবেশে থাকতে চাইছেন সকলে। তাই পাহাড়ে এখন সুপারহিট হোম স্টে। গরমের ছুটিতে হোম স্টে ফাঁকা পাওয়াই দুষ্কর। পাহাড়ি হোম স্টের মাঝেই একটা অফবিট হোম স্টে রয়েছে। সেটাও উত্তর পূর্বে। যার নাম ফ্লোটিং হোম স্টে। জলের উপর হোম স্টে। কাশ্মীরের হাউস বোট কনসেপ্ট কিন্তু নয়।

কোথায় আছে এই হোম স্টে
আমাদের পাশের রাজ্য মণিপুরে রয়েছে এই ফ্লোটিং হোমস্টে। মণিপুরের লোকতাক হ্রদের উপরে রয়েছে এই প্লোটিং হোম স্টে। হাউস বোট কিন্তু একেবারেই নয়। এই হ্রদে একরকমের ঘাস তৈরি হয়। ঘাসগুলি জলের উপরেই ভাসতে থাকে। এবং একটি চড় তৈরি করে। যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ফুমুডি। সেই গাসের উপরেই তৈরি হয়েছে এই হোমস্টে গুলি। স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরাই এই হোম স্টে তৈরি করেছেন।

নতুন অ্যাডভেঞ্জার
মণিপুরের জনপ্রিয় হ্রদ লোকতাক হ্রদ। সেখানে এই ভাসমান ঘাসের উপরে গুটি কয়েক কটেজ তৈরি করা হয়েছে। সেখানেই হয় অতিথি আপ্যায়ণ। নৌকা করে সেই ভাস্যমান হোমস্টেতে পৌঁছতে হয়। না দেখলে বোঝার উপায় নেই সেই ঘাসগুলি কতটা উঁচু। মণিপুরী ট্র্যাডিশনাল ধাঁচে গড়া নৌকা নিয়ে যাবে হ্রদের মাঝে সেই ভাসমান ঘাসের উপরে তৈরি হোম স্টেতে। অতিথি আপ্যায়ণের কোনও খামতি নেই এখানে।

নৌকা বিহারে মন ভরে যাবে
এই লোকতাক লেকে অসংখ্য পািখর সমাগম হয়। নৌকা বিহারে সকাল বিকেল মহোময়ী হয়ে উঠবে। মাছে ভাতে বাঙালির খাবারের কোনও কমতি নেই। প্রাণ ভরে মাছ খাওয়ার সুযোগ পাবেন। একেবারে ট্র্যাডিশনাল কায়দায় খাবার পরিবেশন করা হয়। লোকতাক হ্রদের এই ভাস্যমান হোম স্টেতে থাকতে এলে সকাল বিকেলের নৌকা বিহার কিন্তু মিস করা যাবে না।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications