সোরিয়াং, দার্জিলিংয়ের কাছেই একেবারে অফবিট লোকেশন, গরমের ছুটির সেরা ঠিকানা
দার্জিলিংয়ের কাছেই রয়েছে ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম সোরিয়াং। একেবারে অন্যরকম একটা জায়গা। দার্জিলিয়ের এতোকাছে অনেকেই জানতেন না সেই জায়গার কথা। এই পাহাড়ি ছোট্ট গ্রামটির নাম সোরিয়াং। গরমের ছুটিতে বেড়ানোর আদর্শ জায়গা হয়ে উঠতে পারে এই গ্রাম।
দার্জিলিংর একেবারেই কাছেই রয়েছে এই পাহাড়ি গ্রাম। বেশিরভাগ মানুষ সোরেন বলে চেনেন। লোকমুখে সোরেন হয়ে গিয়েছে। তবে সিকিমের সিরিনের সঙ্গে কিন্তু একে মিলিয়ে দিলে হবে না। দুটি সম্পূর্ণ আলাদা জায়গা। এখনও পর্যটকরা তেমন ভাবে ভিড় করেনি এখানে। দার্জিলিং কাছে হওয়ায় বেশিরভাগ পর্যটক দার্জিলিংয়েই ছোটেন। তাই একেবারে নিরিবিলি এই গ্রাম।

এই গ্রামের যেখানেই দাঁড়াননা কেন কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখতে পাবেন। এতোটাই সুন্দর এখানকার প্রাকৃতিক শোভা। সারাদিনই একপ্রকার কাঞ্জনজঙ্ঘার চোখে চোখ মিলিয়ে নিতে পারবেন। গ্রামে পর্যটকের তেমন ভিড় নেই বলে ভিউ পয়েন্ট গুলোও একেবারে ফাঁকা। এখানে ন্যাচেরাল ভিউ পয়েন্ট এগুলি। পাহাড়ে খাঁজে তিস্তার বয়ে চলা দেখা যায় এই ভিউ পয়েন্ট থেকে। আর কাঞ্চনজঙ্ঘা তো রয়েইছে।

এই গ্রাম থেকে কালিম্পং, তিস্তা ভ্যালি চা বাগানের ভিউ অসাধারণ। রাতের আকাশ যেন আলো ঝলমতে। তার উপরে পাহাড়ের গায়ে জেরগে ওঠে অসংখ্য আলো। কালিম্পং আলো ঝলমল করতে থাকে। কালিম্পং শহর দূর থেকে রাতে দেখতে অসাধারণ লাগে। গ্রামের বাসিন্দারা মূলত চাষবাস করে থাকেন। এখানে অ্যাভোক্যাডোর চাষও হয়। একেবারে অরগ্যানিক পদ্ধতিতেই এখানে চাষ হয়।

গ্রামের মধ্যেই রয়েছে মনেস্ট্রি আর চার্চ। গ্রামের মধ্যে ২টি চার্চ আছে। রবিবারে সেখানে বিশেষ প্রার্থনা হয়। গ্রামের স্কুলটিও খুব সুন্দর জায়গায়। দার্জিলিং এখান থেকে ৪০ কিলোমিটার। কাজেই খুব বেশি দূরে নয়। এখান থেকে অনায়াসে দার্জিলিং বেড়িয়ে আসা যায়। এনজেপি থেকে এখানকার দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। হোমস্টেতে থাকতে গেলে গাড়ি রিজার্ভ করে আসাই ভাল। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির বাগান মুগ্ধ করবে।












Click it and Unblock the Notifications