জানেন কি পেলিংয়ের কাছেই রয়েছে সিকিমের শেষ গ্রাম, বেড়িয়ে আসুন এই অফরুটের ট্যুরিস্ট স্পট থেকে
গরমে হাঁসফাঁস শহর থেকে গ্রাম। প্যাচপ্যাটে গরম থেকে মুক্তি পেতে একমাত্র পথ পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া। সকলেই ছুটছেন পাহাড়ে। দার্জিলিং থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই একেবারে ঠাঁই নাই দশা। এমনই পরিস্থিতি। অফবিট লোকেশন খুঁজছেন সকলে। এমনই একটি এঅফবিট জায় সোপাখা।
সিকিমের ছোট্ট পাহা়ড়ি গ্রাম সোপাখা। পেলিংয়ের থেকে কাছেই। কিন্তু অনেকেই জানেন না সেই গ্রামের কথা। আবার সেই গ্রামই সিকিমের শেষ গ্রাম। মানে সীমান্তের গ্রাম। সেই গ্রামের পরেই নেপাল। সেকারণে ঘরবাড়ির সংখ্যাও খুব কম। গুটি কয়েক হোম স্টে রয়েছে। এই গ্রামের কাছেই রয়েছে এসএসবি জওয়ানদের ক্যাম্প। সীমান্ত গ্রাম বলে নিরাপত্তার কড়াকড়ি একটু বেশিই।

পেলিং থেকে যেমন সকলেই দেখতে যান সিনসোর ব্রিজ। সেরকম এই গ্রাম থেকেও যাওয়া যায় সিনসোর ব্রিজ দেখতে। যা ভারতের দ্বিতীয় উচ্চতম ঝুলন্ত ব্রিজ। আবার ফোকটে দারার ট্রেকও এই সোপাখা গ্রাম থেকে করা যেতে পারে। সেকারণে অনেকেই যাঁরা ট্রেক করতে ভালবাসেন তাঁরা এখানে আসেন। শীতকালে এখানে তুষারপাত হয়। যাঁরা তুষারপাতের মজা নিতে জান তাঁরা শীতে জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে আসতে পারেন।

এখানে এলে পাওয়া যাবে সিকিমের প্রসিদ্ধ রডোডেনড্রন ওয়াইন। সিকিমের একমাত্র ফুল রডোডেনড্রন থেকে এই ওয়াইন খেতে পাবেন। এখান থেকে ১০ কিলোমিটার দূরেই রয়েেছ নেপাল। চেওয়াভঞ্জনের পুরো রেঞ্জ এখান থেকে দেখা যায়। একেবারে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায় এই সোপাখা থেকে। ঘুম থেকে উঠেই অসাধারণ ভিউ পাওয়া যায়।

পেলিংয়ের কাছেই রয়েছে ছাঙ্গে ওয়াটার ফল। বিকেল থেকে মেঘেদের ঘরে ফেরা দেখা যায় এখান থেকে। পাহাড়েরক খাঁজে খাঁদে দিনের শেষে এসে জমে যায় মেঘগুলো। অসাধারণ সেই ভিউ। অনেকটা নিজেকে উপরে রেখে পাহাড়কে দেখার মত। এই গ্রামের গা ঘেসেই রয়েছে জঙ্গল। ভার্সে চ্যাঞ্চুয়ারির একটা অংশ রয়েছে এখানে। খানিকদূর সেই জঙ্গলেও ট্রেক করে আসতে পারবেন। এতটাই সুন্দর এখানকার ভিউ।












Click it and Unblock the Notifications