Travel: গরমের ছুটিতে বেড়ানোর প্ল্যানিং শুরু? রইল উত্তরবঙ্গের কিছু অফবিট লোকেশনের খোঁজ
গরমের ছুিট এসে গেলে প্রায়। সরকারি স্কুলে তো মে মাস পড়লেই গরমের ছুটি পড়ে যাবে। আর বেসরকারি স্কুলেও মে মাসেই পড়ে যাচ্ছে ছুটি। কাজেই গরমের ছুটিতে কোথায় বেড়াতে যাওয়া যায় তার প্ল্যানিং শুরু হয়ে গিয়েছে।
তবে এবার গরমের ছুটির কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভোট। ভোটের ডিউটিতে যেতে হচ্ছে অনেককেই সেকারণে অনেকেই দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে চাইছেন না। এই চার পাঁচ দিনের ছোট্ট ট্যুর হলে মন্দ হয় না। যাঁরা এই পরিকল্পনা করছেন তাঁদের জন্য উত্তরবঙ্গের চেয়ে সেরা ডেস্টিনেশন আর কিছু হয়না।

এক তো ঘরের কাছের পাহাড়। গরমে প্রাশান্তি। তার উপরে বেশ কম খরচে ঘোরা যায়। আর এখন উত্তরবঙ্গে অফবিট ডেস্টিনেশনের অভাব নেই। একেকটা পাহাড়ই যেন অচেনা জায়গা। এমন মনে হয়। একাধিক হোমস্টে গড়ে ওঠার ফলে থাকার জায়গারও তেমন অভাব হয়না।
আগে কেবল ছিল দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং। এখন এই তিন জায়গার চারপাশে অসংখ্য অফবিট লোকেশন তৈরি হয়ে গিয়েছে। কোথাও ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায় তো কোথাও পাইনের জঙ্গল। কোথাও আবার একেবারে অনকোড়া পাহাড়ি গ্রাম। তার উপরে পাহাড়ি খানাপিনা। একেবারে জমজমাট গরমের ছুটি।
পাহাড়ের অচেনা ডেস্টিনেশন গুলির মধ্যে অনেকগুলি পরিচিত হয়ে উঠেছে পর্যটকদের কল্যাণে। তবে এখনও বেশ কিছু জায়গায় তেমন ভিড় দেখা যায় না। তারমধ্যে একটি হল তোদে তাকদা। একেবারে জঙ্গলে ঘেরা ভুটান সীমান্তের একটি এলাকা। সামনে চুমুং নদী আ ভুটান পাহাড়। মালবাজার থেকে ঝালং যাওয়ার পথে পড়ে তাকদা।
আরেকটি অফবিট লোকেশন হল প্যারেন। নামটার মতো জায়গাটিও পর্যটকদের অচেনা। শিলিগুড়ি থেকে ১১২ কিলোমিটার দূরে সেই ভুটান সীমান্তে অবস্থিত প্যারেন। পাহাড় আর জঙ্গলের সহাবস্থান রয়েছে এখানে। একেবারে শান্ত নিরিবিলি একটা জায়গা।
অহলদারা। দার্জিলিং পাহাড়ে অফবিট লোকেশনের নতুন সংযোজন বললে ভুল হবে না। সএখান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। কার্শিয়ং থেকে যেতে হয় একানে। দারা শব্দের অর্থ হল পাহাড়ের চূড়া। এখানে একদিকে যেমন কাঞ্চনজঙ্ঘার পরিষ্কার ভিউ পাওয়া যায় তেমনই সামনে বিস্তৃত উপত্যকাও দেখা যায়। আরেকটি অচেনা জায়গা হল রামজি। এখান থেকেও কাঞ্জনজঙ্ঘার ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications