এপ্রিলের প্রথম দিনেই তুষারপাত, হাতছানি দিয়ে ডাকছে সান্দাকফু
শীত যেন গিয়েও যেতে চাইছে না পাহাড় থেকে। এপ্রিল মাসের শুরুতেও তুষারে ঢেকেছে সান্দাকফু। মার্চ মাস জুড়ে দফায় দফায় তুষারপাত হয়েছে সেখানে। এমন অকাল তুষারপাত আগে দেখেননি পাহাড়বাসী। সে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এবার গরমে যাঁরা কোথায় যাবেন ভাবছেন তাঁদের জন্য সেরা ঠিকানা হয়ে উঠচে পারে সান্দাকফু। সমতলের গরম থেকে অনেকটা দূরে এখনই বেড়িয়ে পড়ুন।

সান্দাকফুতে তুষারপাত
দার্জিলিঙের কাছেই সান্দাকফু। একটু বেশিই উঁচুতে। চৈত্রেও সেখানে চলছে তুষারপাত। মার্চ মাসের পর এপ্রিলের প্রথম দিনেই তুষারে ঢেকেছে সান্দাকফু। নেহাত কম নয় ভারী তুষারপাত হয়েছে সান্দাকফুতে। মার্চ মাসে অবশ্য দফায় দফায় তুষারে ঢেকেছে সান্দাকফু। দার্জিলিং থেকে কিছুটা উঁচুতে সান্দাকফু। এই সময় সাধারণত তুষারপাত হয় না এখানে। ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসের মধ্যে তুষারপাত না হলে আর তুষার পাতের সম্ভাবনা থাকে না। এবার যেন সমীকরণ একেবারে উল্টে দিয়েছে প্রকৃতি। বসন্তের অকাল তুষারপাতে ঢেকেছে সান্দাকফু।

খুশি পর্যটকরা
মার্চ-এপ্রিম-মে এই তিন মাস পাহাড়ে পর্যটকের ঢল থাকে। এবারও রয়েছে। অনেকেই দার্জিলিঙে হোটেল বুকিং না পেয়ে চলে যান সান্দাকফুতে। সেখানে খুব বেশি হোটেল না থাকলেও হোটেল মোটের উপরে ফাঁকা পাওয়া যায়। দার্জিলিঙের মতো ভিড় সেখানে থাকে না। এবারও সেখানে খুব বেশি পর্যটক ছিল না। দার্জিলিঙের থেকে কম সংখ্যক পর্যটকই সেখানে ছিল। যাঁরা এখন সান্দাকফুতে রয়েছেন তাঁদের তো পোয়া বারো। অসময়ে এসেও তুষারপাত উপভোগ করতে পেরেছেন।

ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা
সান্দাকফুতে তুষারপাত হলেও আকাশ কিন্তু মেঘলা নেই দার্জিলিঙে। ঝকঝকে আকাশ। ভোর থেকেই উঁকি দিয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। কাকভোরে উঠে যাঁরা অপেক্ষা করছিলেন এক ঝলক তাঁর দেখা পাওয়ার জন্য। তাঁরা আজ খুসিতে ডগমগ। আন্দে আত্মহারা বললে ভুল হবে না। দার্জিলিঙের ম্যাল থেকে ঝকঝকে আকাশে দেখা দিয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। ঘুরতে ফিরতে চোখে পড়ছে সে। অসমে এমন ঝকঝকে আকাশে কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখার সুযোগ বড়বেশি মেলে না।

গরমের সেরা ঠিকানা
সমতলে এখন আবহাওয়া মন্দ নয়। মেঘলা আকাশ ঝড়-বৃষ্টি চলছে প্রতিরাতেই। তাপমাত্রাও খুব বেশি একটা নেই। এই মেঘলা আকাশেও ভ্যাপসা একটা গরম রয়েছে। মার্চ মাসের চাপ কাটিয়ে উঠেছেন প্রায় সকলেই। এপ্রিলে ফুরফুরে মেজাজে ব্যাগ গুছিয়ে বেড়িয়ে পড়ুন পাহাড়ের পথে। আর অপেক্ষা না করেই ট্রেনের টিকিট কেটে ফেলুন। বেড়িয়ে পড়ুন সান্দাকফুর পথে। কে বলতে পারে তুষারপাতের ঝোঁয়া আপনার ভাগ্যেও থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications