স্নো পার্ক, যেতে হবে না দার্জিলিং কাশ্মীর, কলকাতাই নিন তুষারপাতের মজা
ফের গরমে হাঁসফাঁস শহর। তাপমাত্রা ফের চড়েছে ৪০ ডিগ্রিতে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এই তীব্র দহনে মুহূর্তে রেহাই দিতে পারে শহরের এই জায়গাটি। যার নাম স্নো পার্ক। এখানে তাপমাত্রা মাইনাল ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃষ্টির রেশ কাটিয়ে ফের দাপট দেখাতে শুরু করেছে গরম। সকাল থেকে চড়া রোদ ঘর্মাক্ত পরিবেশ। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকায় একেবারে ঘেমে নেয়ে নাজেহাল দশা সকলের। শহর থেকে গ্রাম সর্বত্র চড়চড়িয়ে উঠছে পারদ। তারমধ্যে আবার তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ জুন মাসেও গরম থেকে রেহাই নেই। তাপমাত্রা চড় চড় করে বাড়ছে।

এই গরমে নাজেহাল দশা শহরবাসীর। এদিকে দার্জিলিং, কাশ্মীর কোনওটাই যাওয়ার সুযোগ নেই। উত্তরপঙ্গে যাওয়ার সব ট্রেনের আসন ভর্তি। এমনকী বাসের টিকিটও মিলছে। দাম ৩০০০ টাকা পর্যন্ত চড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঠান্ডার আমেজ পেতে হলে আসতে হবে শহরের এই জায়গায়। যেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাশ্মীর থেকে দার্জিিলং সব অভাব পূরণ করে দেবে এই স্নোপার্ক।

কলকাতাতেই তুষারপাতের আমেজ। একেবারে অন্যরকম তার অনুভূতি। কলকাতার নিউটাউনের অ্যাক্সিস মলে রয়েছে এই স্নো পার্ক। সেখানে তাপপাত্রা মাইনাস ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চারিদিকে কেবল বরফ আর বরফ। স্কেটিং থেকে শুরু করে স্লেজিং। স্নো-ক্যাম্পিং সব কিছু করার সুযোগ রয়েছে। সবার আগে গরম থেকে বেশ কিছুটা সময় আগামে কাটিয়ে দেওয়া যায়।

অ্যাক্সিস মলে বেড়াতে বেড়াতে স্নো ফলের আমেজ নিতে বেড়িয়ে আসলতই পাড়েন এই স্নো পার্ক থেকে। সকাল ১১টা থেকে খোলা হয় এই পার্ক। অ্যাক্সিস মলের ৬ তলায় রয়েছে এই স্নো পার্ক। এক ঘণ্টা এখানে সময় কাটাতে দিতে হয় ৪৯৯ টাকা জন প্রতি। স্নো পার্কের ভেতরে ঢোকার জন্য জ্যাকেট গামবুট, পাওয়া যায়। টিকিট দেখিয়ে সেই জ্যাকেট পাওয়া যায়। একটি লকারও ভাড়া পাওয়া যায়। ১০০ টাকা দিয়ে সেই লকার নিতে হয় তাতে প্রয়োজনীয় জিনিস রেখে যেতে পারেন। আবার বেরোনো সময় লকারের চাবি ফেরত দিলে সেই ১০০ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে।












Click it and Unblock the Notifications