পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা ছোট্ট গ্রাম, মার্চের গরমের দাপট থেকে জিরিয়ে নিতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়
দার্জিলিঙের কাছেই রয়েছে ছোট্ট গ্রাম দাওয়াইপানি
মার্চমাসেই গরমে হাসফাঁস শহর। তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি পেরিয়ে দৌড়াচ্ছে হু হু করে। এই গরমে ফের পাহাড়ে বেড়িয়ে আসতে চায় মন। বেড়িয়ে আসুন এমনই একটি ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম থেকে। বৈশাখের গরমের দাপট পড়ার আগে শেষবার একবার শীতের আমেজটা নিয়ে আসুন কলকাতার কাছেই দাওয়াইপানি থেকে।

দাওয়াই পানি
ছোট্ট একটা পাহাড়িগ্রাম। দার্জিলিঙের কাছে। অথচ ভিড় নেই। দার্জিলিঙের মত জনকোলাহল নেই। একেবারেই হালকা সেখানকার পরিবেশ নেই। জনকোলাহল থেকে দূরে নিরিবিলি গাছগাছালি পাহাড়ে ঘেরা ছোট্ট গ্রাম দাওয়াইপানি। বসন্তে যেন আরও সুন্দর হয়ে ওঠে গ্রামটি। অসম্ভব সুন্দর এই গ্রামের প্রাকৃতিক শোভা। খুব বেশি বাড়িঘর নেই। এখানকার মানুষের প্রধান জীবিকাই হল চাষবাস।

কেন নাম দাওয়াইপানি
দাওয়াই পানি নামের একটা অর্থ রয়েছে। দাওয়াই মানে ওষুধ আর পানি মানে জল। দুটো মিলে হয় ওষুধের জল। গ্রামবাসীরা বলেন এই গ্রামের একটি নদী রয়েছে যার নাম খোলা। সেই খোলা নদীর জল পান করলেই নাকি অনেক রোগ সেরে যায়। এক ইংরেজ সাহেব এই নদীর জলের গুণাগুণ বুঝতে পেরেছিলেন। সেই থেকে এই জায়গাটির নাম দাওয়াইপানি। এখান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘাও দেখা যায়। কাজেই বেড়ানোর পাশাপাশি এখানে এলে শরীরও ভাল হয়ে যাবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

আর কি দেখার আছে
এখান থেকে দার্জিলিং, ঘুম মনেসট্রি একেবারেই কাছে। কাজেই দার্জিলিঙের ভিড়ে জায়গা না পেলে দাওয়াই পানি থেকে দার্জিলিং বেড়িয়ে আসতে পারেন। এছাড়াও আশপাশে রয়েছে তাকদা, লামাহাট্টা, রঙ্গারুন। লামাহাট্টায় সুন্দর একটি ইকোপার্ক রয়েছে। তাকদায় রয়েছে অর্কিড সেন্টার। রয়েছে ব্রিটিশ আমলের পুরনো সেনা ছাউনি, ব্রিটিশ বাংলো। এছাড়া ছবির মত সুন্দর ঘুম মনেস্ট্রি তো রয়েইছে।

কীভাবে যাবেন
শিয়ালদহ অথবা হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে এনজেপি। সেখান থেকে গাড়ি বুক করে পৌঁছতে হবে দাওয়াইপানি। আবার দার্জিলিং থেকে গাড়ি করেও যাওয়া যায় এই দাওয়াইপানিতে। দার্জিলিং থেকে দাওয়াইপানির দূরত্ব মাত্র ২০ কিলোমিটার। আর শিলিগুড়ি থেকে দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। এখানে থাকার এনেক জায়গা রয়েছে। হোটেল থেকে হোম স্টে। যেখানে ইচ্ছে থেকে যান। আগে থেকে বুক করে আসাই ভাল।












Click it and Unblock the Notifications