Sinji Kalimpong:সবুজ জঙ্গলে আর সামনেই উন্মুক্ত কাঞ্জনজঙ্ঘা, এই পাহাড়ি গ্রামে কাটিয়ে যান কয়েকটি দিন
পাহাড়ের আনাচে-কানাচে ইতিউতি লুকিয়ে রয়েছে কত না অজানা জায়গা। উত্তর বঙ্গে পা রাখলেই যেন সবটাই অফবিট হয়ে যায়। একের পর এক জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সব সুন্দর সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। এখন আর দার্জিলিংয়ে হোটেলের জন্য হুড়ো হুড়ি করতে হয় না।
কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পেতে কত সব নাম না জানা জায়গা অপেক্ষা করছে পর্যটকদের জন্য। এমনই একটি জায়গা সিনজি। কালিম্পং জেলার ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। অনামী বললে ভুল হবে না। ছোট ছোট সব হোম স্টে। তাতেই অতিথি আপ্যায়ণের শেষ নেই। তাবর হোটেলেও মেলে না সেই আপনজনের মতো আতিথেয়তা।

একদিকে পাহাড়ি জঙ্গল আরেকদিকে কাঞ্চনজঙ্ঘা। স্পিলিং বুদ্ধার পুরো রেঞ্জটি দেখা যায় এই সিনজি থেকে। এনজেপি থেকে আসতে ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে সিনজি আসতে। ছোট ছোট কটেজের সারি। তার সঙ্গে পাহাড়ি ফুলের সারি। রকমারি সব আর্কিড ভিড় করে রয়েছে এখানে।
ছোট্ট গ্রামের বাসিন্দাদের চাষাবাদই মূল কাজ। একেবারে অর্গ্যানিক পদ্ধতিতে চাষ হয় এখানে। আর হোমস্টের অতিথিরা যখন আসেন তখন তাঁদের খাতির যত্ন করেন সকলে। কালিম্পং থেকে বেশি দূরেও নয় এখানকার অবস্থান। হোম স্টের ঘরে বসেই দেখা মেলে কাঞ্চনজঙ্ঘা আর তিস্তার। আবার ট্রেকের অপশনও রয়েছে। এখানে ছোট একটা ট্রেক করা যায়। সেখান থেকে ভিউ আরও সুন্দর।

পানবুর একেবারে কাছে রয়েছে এই সিনজি। পাশাপাশি গ্রাম বললে ভুল হবে না। হোমস্টে গুলিতে অতিথিদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা রয়েছে। খরচও খুব একটা বেশি নয়। কাঞ্চন জঙ্ঘার বিস্তৃত একটা িভউ নিয়ে অপেক্ষা করছে সিনজি। অসাধারণ সুন্দর এখানকার প্রাকৃিতক সৌন্দর্য। কাজেই এবার জারা অফবিট কোনও জায়গা খুঁজছেন তাঁদের জন্য সেরা ঠিকানা হয়ে উঠতেই পারে এই সিনজি।
অনেকেই পাহা়ড়ে নতুন কোনও জায়গা এক্সপ্লোর করতে ভালোবাসেন। তাঁদের নিরাশ করবে না শিনজি। একেবারে ছোট্ট একটা জায়গায় কিন্তু পর্যটকদের মন ভরে যাবে। কাজেই আর দেরি না করে চলে আসুন এখানে। একরাশ সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে অপেক্ষা করছে সিনজি। একেবারে অন্যরকম মুডের একটা পর্যটন কেন্দ্র। যদিও সেভাবে খেনও পর্যটকদের আনাগোনা এখানে হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications