সপ্তাহান্তের ২টো দিন ছুটি, বেড়িয়ে আসুন ঝাড়খণ্ডের স্কটল্যান্ড থেকে

সপ্তাহান্তের ২টো দিন ছুটি, বেড়িয়ে আসুন ঝাড়খণ্ডের স্কটল্যান্ড থেকে

পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে যে এত বেড়ানোর জায়গা রয়েছে তা অনেকেই জানেন না। নেতারহাট, ম্যাকলুক্সি গঞ্জ। এই ঝাড়খণ্ডেই রয়েছে ভারতের স্কটল্যান্ট। ছোটনাগপুর পাহাড়ের কোলে রয়েছে ভারতের স্কটল্যান্ড ম্যাকলুস্কিগঞ্জ। বাঙালিরা অনেকেই বড় পর্দায় এই জায়গার ছবি দেখেছেন। তরুণ মজুমদারের জনপ্রিয় ছবি দাদার কীর্তির শ্যুটিং হয়েছিল এই জায়গায়। একসময় ব্রিিটশদের বসতি ছিল এই জায়গাটি। পরে বাঙালিদের পশ্চিমের জায়গা বলে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। কিন্তু সেভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এখন বড় কেউ যায় না এখনে। অথচ এর পরিবেশ এতটাই সুন্দর তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

বেড়িয়ে আসুন ম্যাকলুস্কি গঞ্জ

বেড়িয়ে আসুন ম্যাকলুস্কি গঞ্জ

পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে রয়েছে অসংখ্য বেড়ানোর জায়গা। নেতারহাট, হাজারিবাগ, রাঁচি, ম্যাকলুস্কিগঞ্জ। এরকম অনেক সু্ন্দর জায়গা রয়েছে ঝড়খণ্ডে। সবুজ পাহাড়, ঝরনা, জঙ্গলে ঘেরা ঝাড়খণ্ডে বন্যতা মুগ্ধ করবে পর্যটকদের। ঝাড়খণ্ডের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা ম্যাকলুক্সিগঞ্জ। যাকে বলা হয় ঝাড়খণ্ডের স্কটল্যান্ড। মনোরম আবহাওয়া, তারসঙ্গে পরিবেশ মুগ্ধ করবে। ম্যাকলুক্সি গঞ্জ ব্রিটিশ আমলে তৈরি। এখানকার নাগরিক স্থাপত্য তাই ব্রিটিশ আমলের ছোঁয়া মেলে।

কেন এই ব্রিটিশন নাম

কেন এই ব্রিটিশন নাম

ঝাড়খণ্ডের জায়গা কিন্ত হঠাৎ করে বিদেশি নাম কেন হল জায়গাটির। তার একটা গল্প রয়েছে। ছোটনাগপুর মালভূমি মূলত খনিজ পদার্থের জন্যই পরিচিত। ব্রিটিশরা যখন এই বিপুল খনিজের সন্ধান পান তখন তাঁরা সেখান থেকে খনিজ কলকাতা হয়ে বাইরে রপ্তানি করার চেষ্টা করতে শুরু করেন। তার জন্য ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে কলকাতা পর্যন্ত রেললাইন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তারা। আর সেই রেললাইন তৈরির বরাত পড়েছিল ম্যাকলুস্কি সাহেবের উপর। তিনিই প্রথম জায়গাটি আবিষ্কার করেন। এবং সেখানে নিজে পাকাপাকি ভাবে বসবাস করতে শুরু করেন। তাঁর অনুরোধেই একাধিক ব্রিটিশ সাহেব ম্যাকলুক্সি গঞ্জে এসে বসবাস করতে শুরু করে। একেবারে সাহেবি কায়দা শহরটি তৈরি করেন তিনি। সেকারণেই এই জায়গাটির নাম হয় ম্যাকলুক্সি গঞ্জ।

মনোরম পরিবেশ

মনোরম পরিবেশ

ম্যাকলুক্সিগঞ্জে পর্যটকদের মুগ্ধ করতে বাধ্য। ব্রিটিশ আমলের তৈরি এই কলোনিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক কটেজ, বাংলো। লালমাটির রাস্তা, সবুজ পাহাড়, ঝরনা, নদী। সব মিলিয়ে মন ভাল করে দেবে ম্যাকলুক্সি গঞ্জ। এখানেই পথে ঘাটে হাঁটতে হাঁটতে আপনার মনে পড়ে যাবে তরুণ মজুমদারের দাদারকীর্তির ছবির কথা। এই সাহেবি কলোনি ঘিরেই হয়েছিল দাদার কীর্তির শ্যুটিং। তাই ম্যাকলুক্সি গঞ্জের পথে ঘাটে ঘুরলে অনেক বাঙালির দেখা পেয়ে যেতে পারেন। এখােন অনেক বাঙালি বসবাস করে থাকেন।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে ট্রেনে যেতে হবে ম্যাকলুক্সি গঞ্জে। রাঁচি গামী যেকোনো ট্রেেন যেতে পারেন। তার জন্য অবশ্য রাঁচি স্টেশনে নামতে হবে আপনাকে। সেখান থেকে গাড়িতে যেতে হবে ম্যাকলুক্সি গঞ্জ। রাঁচি থেকে দূরত্ব প্রায় ৬৪ কিলোমিটার। ম্যাকলুক্সি গঞ্জে যাওয়ার সরাসরি ট্রেনও রয়েছে। হাওড়া থেকে শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস ছাড়ে। এই ট্রেেন সরাসরি যাওয়া যায় ম্যাকলুক্সি গঞ্জে। সেখানে একাধিক থাকার জায়গা এবং রিসর্ট রয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+