Shivgadi Dham: স্বয়ং বিশ্বকর্মা তৈরি করেছিলেন মহাদেবের এই আবাসস্থল, বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছেই এই শিবতীর্থে
শ্রাবণ মাস মানেই শিবের মাস। দেশ জুড়ে শিবতীর্থে ভিড় সমান ভক্তরা। কেদারনাথ অমরনাথ থেকে শুরু করে ঘরের কাছে তারকেশ্বর। যে যেমন পারেন তেমন ভাবেই শিবের মাথায় জল ঢালতে জান। তাঁদের বিশ্বাস এই শ্রাবণ মাসে শিবের পুজো করলে তিনি ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন।
তারকেশ্বর তো সকলেরই জানা কিন্তু জানেন কি কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন এক শিবমন্দির যেটি নাকি তৈরি করেছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। সপ্তাহান্তের ছুটিতে অনায়াসে সেখানে ঘুরে আসতে পারেন। পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা সেই জায়গা। যার নাম শিবগাদি ধাম।

এটি রয়েছে পাশের রাজ্য ঝাড়খণ্ডে। অনেকেই জানেন না এই প্রাচীন শিবমন্দিরের কথা। কলকাতা থেকে ট্রেনে কয়েক ঘণ্টার সফরে অনায়াসেই পৌঁছে যাওয়া যায় এখানে। শিবগাদি ধাম পর্যন্ত কোনও ট্রেন লাইন না থাকলেও এর নিকটবর্তী স্টেশন বার হাওড়া। হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে বার হাওড়া এসে। সেখান থেকে গাড়িতে আসা যায় এই শিবগাদি ধামে। পাহাড়ের উপরে গুহার মধ্যে রয়েছে সেই শিবমন্দির।
আর কথিত আছে পাহাড়ের মধ্যে গুহায় এই শিবমন্দিরটি তৈরি করেছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। শ্রাবণ মাস এবং শিবরাত্রিতে এখানে ভিড় করেন অসংখ্য পূন্যার্থী। দূরদূরান্ত থেকে গাড়ি করকে পুন্যার্তীরা আসেন এখানে। অর্ধেক কিলোমিটার হাঁটার পর পৌঁছানো যায় এই শিব মন্দিরে। রাস্তার দুধারে পুজো দেওয়ার সব সামগ্রিই পাওয়া যায়। থাকে পুন্যার্থীদের বিশ্রাম এবং খাবার ব্যবস্থাও।

শ্রাবণ মাসে রীতিমতো মেলা বসে এই মন্দিরের চারপাশে। এখানে থাকার জায়গাও রয়েছে। চাইলে আগেরদিন এখানে থেকে পরের দিন পাহাড়ে উঠে মন্দিরে পুজো দিতে পারেন। প্রায় ২০০ সিঁড়ি ভেঙে সেখানে পৌঁছতে হয়। পাহাড়ে চারিপাশে জঙ্গল। বর্ষায় সেই জঙ্গল আরও ভরে ওঠে। সারা বছর এই শিবের মাথায় জল পড়ে। পাহাড়ের পাথর চুঁয়ে চুঁয়ে জল এসে পড়ে শিবের মাথায়। এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে অনেক অলৌকিক ঘটনাও নাকি শোনা যায়।
এই পাহাড়ের উপরে নাকি শিবের বাহন নন্দীর পায়ের ছাপ রয়েছে। প্রায় সাড়ে তিনশো সিঁড়ি ভেঙে সেখানে পৌঁছতে হয়। গজাসুর নামে এক দৈত্য নাকি এই শিবলিঙ্গটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই থেকে এই শিবের নাম গজেশ্বর মহাদেব।












Click it and Unblock the Notifications