Sangser Kalimpong: সিকিমের গেটওয়ে, বেড়িয়ে আসুন উত্তরবঙ্গের শেষ গ্রামে
উত্তরবঙ্গের শেষ গ্রাম। জনবসতী হাতে গোনা। কয়েকটি মাত্র বাড়ি। ঝকঝকে নীল আকাশে শ্বেত শুভ্র কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখার সুযোগ মেলে এখানে। বেড়িয়ে আসুন সাংসের থেকে। ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। এই গ্রামের পরেই সিকিম। কালিম্পং থেকেও বেশি দূরে নয়।
কালিম্পং শহর থেকে সাংসেরের দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার। আর সিকিমের রংপো মাত্র ২৯ মিনিেটই পৌঁছে যাওয়া যায়। কালিম্পং থেকে পেডং হয়ে এখানে আসা যায় আবার তিস্তা ব্রিজ পেরিয়ে রংপো হয়েও এখানে আসা যায়। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৪০০০ ফুটের বেশি উচ্চতায় অবস্থিত রয়েছে এই গ্রামটি।

ছবির মতো সুন্দর গ্রামটি। এখানে ব্রিটিশ আমোলের বাংলোও রয়েছে। অর্থাৎ ব্রিটিশ আমোল থেকেই যে এই জায়গাটি পর্যটনের জায়গা ছিল সেটা এই বাংলোটি দেখলে বোঝা যায়। ঝকঝকে নীল আকাশে কাঞ্জনজঙ্ঘা জ্বলজ্বল করে এখানে। গ্রামের কাছেই রয়েছে তিস্তা নদী। এনজেপি থেকে ৮২ কিলোমিটার দূরে। এর কাছাকাছি অনেক জায়গা রয়েছে।
পেডং, সিলেরি গাঁও, লাভা, ললেগাঁও। শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে কালিম্পং পর্যন্ত এসে সেখান থেকে গাড়ি বদল করে আবার এখানে আসা যায়। এখানে হোমস্টে খুব একটা দেখা যায় না। হোমস্টের মধ্যেই রয়েছে ভিউ পয়েন্ট। সেখানেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়। অসংখ্য ফুল ফলেরক গাছ রয়েছে এখানে। সবটাই অরগ্যানিক।

শহুরে কোলাহল থেকে দূরে কয়েকটা দিন থাকতে চাইলে সাংসের আদর্শ জায়গা। কাজেই যাঁরা পাহাড়ে েকটু অন্যরকমের জায়গা খুঁজছেন তাঁদের জন্য সাংসের আদর্শ হয়ে উঠতেই পারে। তবে আগে থেকে বুকিং করে আসলে ভাল। কারণ স্পট বুকিং পাওয়া যায় না এখানে। সাংসের খুব সুন্দর ছিমছাম একটি পাহাড়ি গ্রাম। যেখানে আতিসয্যের ছোঁয়া লাগেনি। পর্যটকদের তেমন ভিঁড়ও হয় না এখনও। একেবারে অজানা-অচেনা একটা জায়গা এই সাংসের।












Click it and Unblock the Notifications