চাঁদিফাটা গরমে শান্ত হবে মন প্রাণ, বেড়িয়ে আসুন এই রিভার ক্যানিয়ন থেকে
প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দশা। এই অবস্থায় গরম থেকে পালাতে পারলে বাঁচেন সকলে। এবার তাই উত্তরবঙ্গের বিশেষ করে পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলি ভিড়ে ঠাসা। অনেকেই সেখানকার বুকিং পাচ্ছেন না। তাঁদের জন্য রইল এক অফবিট ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন। যার নাম ইয়েলবং।

ইয়েলবং
রাজ্যে একমাত্র নদী খাত বা রিভার ক্যানিয়ন ইয়েলবং। পাহাড়, জঙ্গল তার সঙ্গে নদী। তিন সহাবস্থানে একেবারে মন জুড়িয়ে যাওয়ার মত জায়গা এটি। নদীর দুপাশে বেশ উপত্যকাও রয়েছে। ছোট ছোট ঝরনা, আর পাথুরে উপত্যকা। পাথরের উপর বসে নদীর কুলকুল বয়ে যাওয়ার শব্দ শুনতে শুনতে মনয়া জুড়িয়ে যাবে। গরমের উত্তাপ ভুলে যাবেন নিমেষে। এখনও তেমন পর্যটকরা জানেননা এই জায়গাটির কথা। সেকারণে ভিড়ও খুব কম।

কীভাবে যাবেন
শিলিগুড়ি থেকে খুব বেশি দূরে নয় ইয়েলবং। বাগরাকোট থেকে ১২ কিলোমিটার আর শিলিগুড়ি থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই জায়গা। পাহাড়ি রাস্তার বাক বেডে উঠে যাবে গাড়ি। লাগাগুড়ির কাছে থাকার জায়গাও রয়েছে্। চারিদিকে সবুজের সমাহার। ডুয়ার্সের ইয়েলবং অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য দারুন জায়গা। সেখানে ক্যাম্পিং করার বন্দোবস্ত রয়েছে।

অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল
যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় তাঁদের জন্য ইয়েলবং আদর্শ জায়গা বললে ভুল হবে না। অনেকেই ট্রেক করতে আসেন। ট্রেক করে পৌঁছতে হয় রিভার বেডে। এখানে তাবু খাটিয়ে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে। নদীর পাড়ে পাথরে বসে মন জুড়িয়ে যাবে। কুলকুল শব্দে বয়ে চলেছে নদী। গাইডও পাওয়া যায় রিভার বেডে নিয়ে যাওয়ার জন্য। খাবার দাবার সঙ্গে নিয়ে রিভার ক্যানিয়েন দিন যাপন মন্দ হবে না। রাতে নদীর পাড়ে ক্যাম্প ফাটার। আগুনে ঝলসানো মাংস।

গুহার অ্যাডভেঞ্চার
এই রিভার ক্যানিয়নে আবার রয়েছে একটা গুহা। সেখানে ট্রেক করে যেতে হয়। গুহার ভেতর দিয়ে বয়ে গিয়েছে নদী। কখনও হাঁটু জল। আবার কখনও পায়ের পাতা ডোবা জল। আবার সাঁতরে পার হওয়ার মত পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। যে যতদূর যেতে পারবেন যেমন বাবে সেটাই অ্যাডভেঞ্চার। কাজেই গরমে জলের থেকে আরামদায়ক আর কিছু হতেই পারে না। সেকারণে এই অফবিট লোকেশনে একবার বেড়িয়ে আসতেই পারেন।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications