Ranju Valley: উপত্যকা জুড়ে সাদা মেঘের লুটোপুটি, দার্জিলিং থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রয়েছে মিনি ভূস্বর্গ
পাহাড়ের কোলে পেঁজা তুলোর মতো ঘুরে বেড়ায় মেঘ। বর্ষাতেই বেড়ানোর সেরা জায়গা এটি। দার্জিলিং (Darjeeling) থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই পাহাড়ি উপত্যকা। যাকে মিনি ভূস্বর্গ বললে ভুল হবে না। হাতে ২ দিনের ছুটি থাকলে চলে আসুন রঞ্জু ভ্যালিতে ( Ranju Valley)।
বর্ষায় সবুজ আরও গাঢ় হয়ে ওঠে পাহাড়ে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় রয়েছে এই উপত্যকা। চারিদিকে সবুজের সমাহার। মাঝেই উঁকি দেয় কাঞ্জনজঙ্ঘা। আর দিনভর তার সঙ্গে খেলা করে সাদা মেঘ। খুব বেশি পর্যটকের আনাগোনা নেই এই উপত্যকায়। পাহাড়ি উপত্যকা হওয়ায় এখানে সবুজের সমাহার একটু বেশি।

সারা দিন হেঁটেই ঘোরাঘুরি করতে পারেন। উপত্যকা জুড়ে ছোট ছোট পাহাড়ি বাড়ি। তেমন কোনও আতিসয্য নেই। ছিমছাম হোমস্টে গুলির পরিবেশ। তবে আন্তরিকতাতেই মন ভরে যাবে। হোমস্টের মধ্যেই রয়েছে ভিউ পয়েন্ট। ঘর থেকেই দেখা যায় বর্ষাস্নাত কাঞ্জনজঙ্ঘার সৌন্দর্য। যাঁরা দার্জিলিংয়ে জায়গা পাচ্ছেন না তাঁদের জন্য সেরা জায়গা এই রঞ্জু ভ্যালি।
ঘরের ভেতর থেকেই সর্যোদয়ের ভিউ পাওয়া যায়। বাইরে বেরোতে হবে না। আবার টেন্টে থাকার ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে। অনেকেই বলেন শীতের চেয়ে বর্ষায় পাহাড়ের সৌন্দর্য অনেক বেশি। এই রঞ্জু ভ্যালিক আরেকটি বিশেষত্ব হল এখানে রকমারি প্রজাপতির দেখা মেলে। অনেকেই নাকি প্রজাপতি দেখতে আসেন এই ভ্যালিতে। রকমারি পাখির দেখাও পাবেন এই উপত্যকায়। সেই পাখি দেখতেও অনেকে আসেন এই রঞ্জু ভ্যালিতে।

কাছেই রয়েছে গঙ্গা ভিউ পয়েন্ট। এখান থেকে ভ্যালির পুরো ভিউ পাওয়া যায়। সেটা অসাধারণ। না দেখলে বলে বোঝানো যায় না। তাকদা সোনাদা হয়ে তিনমাইনে পৌঁছতে হবে। শেয়ার গাড়িতে করেই আসা যায়। এই তিন মাইল থেকে গাড়ি ভাড়া করে চলে আসতে হবে রঞ্জু ভ্যালিতে।












Click it and Unblock the Notifications