লাক্ষাদ্বীপ-মলদ্বীপ ভুলে যান, কলকাতার কাছেই মনোরম এই দ্বীপে ছুটি উপভোগ করে আসুন
মলদ্বীপ না লাক্ষাদ্বীপ কোনটায় ঠিক সেরা এই নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। মলদ্বীপ বয়কটের ডাক সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল ফেলতেই জেগে উঠেছে লাক্ষাদ্বীপ। যে দ্বীপই হোক এখানে পৌঁছতে মোটা টাকা খরচ করতে হবে। হুঠ করে পৌঁছে যাওয়ার জায়গা নয় দুটোর কোনওটাই।
অথচ কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন এক দ্বীপ যেখানকার কথা জানেন না অধিকাংশ পর্যটক। ওড়িশার চিলকা হ্রদের উপরে রয়েছে সেই ছোট্ট দ্বীপ। যার নাম রম্ভা। রম্ভা নামের সঙ্গে আমাদের পৌরানিক কাহিনীর অনেক কিছু জড়িয়ে রয়েছে। স্বর্গের রাজা ইন্দ্রের রাজসভার সুন্দরী অপ্সরাদের মধ্যে একজন ছিলেন রম্ভা। ওড়িশার এই দ্বীপের নামও রম্ভা।

এশিয়ার বৃহত্তম মিষ্টি জলের হ্রদ চিলকা। পুরী গেলেই আমরা সকলে চিলকা দেখতে যাই। তবে এখানে যাওয়া হয় না। এই চিলকার ছোট্ট একটা দ্বীপ রম্ভা। যেটি ওড়িশার গঞ্জাম জেলার অংশ। শুধু রকম্ভাই নয় এইউ চিলকা জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আরও অনেক দ্বীপ। হানিমুন দ্বীপ, ব্রেকফাস্ট দ্বীপ, নলবন দ্বীপ, কালিঘাই দ্বীপ, সোমোলো দ্বীপ, বার্ডস আইল্যান্ড। এই দ্বীপগুলিতে শীতকালে প্রচুর পরিযায়ী পাখি ভিড় করে।
চিলকা থেকে নোকা করে অনায়াসে ঘুরে আসা যায় এই দ্বীপগুলিতে। এই দ্বীপের একটিতেই রয়েছে বিমলা দেবীর মন্দির। এবং নারায়ণী ঝরনা। রম্ভা থেকে বরাকুলের দূরত্ব ৩৩ কিলোমিটার। নৌকায় করে সেই দ্বীপে পৌঁছতে হবে। রম্ভাতে ওড়িশা সরকারের গেস্ট হাউস রয়েছে। অনলাইনে আগে থেকে বুিকং করে নিয়ে হয়।
আবার বেরহামপুর থেকে বাসেও চিলকা এসে সেখান থেকে নৌকায় রম্ভায় পৌঁছনো যায়। বেরহামপুরই এই পর্যটনকেন্দ্রের িনকটবর্তী রেলস্টেশন। অসাধারণ সুন্দর রম্ভা দীপটি। এখান থেকে যেমন অসংখ্য নাম না জানা সব পরিযায়ী পাখিদের দেখা যায় তেমনই সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করা যায়।












Click it and Unblock the Notifications