এখানে পাকা ফসল খেতে আসে ময়ূরের দল, উত্তরবঙ্গে কম খরচে বেড়ানোর নতুন ঠিকানা
সবুজ পাহাড়ে ধাপ কেটে চাষ। আর সেই ফসল খেতে সাত সকালে হাতির হয় গলে দলে ময়ুর। সূর্য ভাল করে ওঠার আগেই ময়ুরের দল ভিড় করে এখানে। গরমের ছুটিতে বেড়িরে আসুন ঘরের কাছেই একেবারে অফবিট ফুরুন গাঁওয়ে।
উত্তরবঙ্গ জুড়ে এখন অজানা বেড়ানোর জায়গার ছড়াছড়ি। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং ছেড়ে এই সব অফবিট লোকেশনে এখন আগ্রহ বাড়ছে পর্যটকদের। যেখানে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। আবার নিরিবিলিও সেই সব জায়গা। কালিম্পংয়ের কাছে এমনই এক অফবিট ট্যুরিস্ট স্পট হল ফুরুন গাঁও। একেবারে অচেনা একটি পাহাড়ি গ্রাম। হোমস্টে থেকে এখানকার মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পারবে ন অনায়াসে।

ফুরুন গাঁওয়ে প্রকৃতি যেন সবটুকু উজার করে দিয়েছে। এখানকার বাসিন্দারা সকলেই ভুটিয়া। তাঁদের একমাত্র পেশা চাষবাস। গ্রামেই ধাপ কেটে চাষ করেন তাঁরা। ধান থেকে শুরু করে এলাচ, স্কোয়াশ সব রকম সবজির চাষ করে তারা। সেটাও অরগ্যানিক পদ্ধতিতে। একাখানে প্রচুর পাখি দেখা যায়। সাত সকালেই দেখায় যায় দলে দলে ময়ুর ঘুরে বেড়াচ্ছে গ্রামে। এছাড়া পার্পল সানবার্ড, বার্ন সোয়ালোদের, বি হিটারদের।

ফুরুন গাঁও এমন একটা অবস্থানে রয়েছে যেখান থেকে কালিম্পংয়ের অনেক পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে নেওয়া যায়। এখান থেকে জলসা বাংলো, ইচ্ছেগাঁও,রোশিখোলা ঘূরে দেখতে পারবেন। আবার রংপো, রোলেপ, রংলি, আগমলোকও বেড়িয়ে আসা যায়। রাতের আকাশে এই ফুরুন গাঁও থেকে কালিম্পংকে অসাধারণ দেখতে লাগে। কাজেই এখান থেকে অনেক জায়গায়ই ঘুরে নিতে পারবেন পর্যটতরা।

ফুরুন গাঁও যেতে হলে এনজেপি থেকে প্রথমে কালিম্পং আসতে হবে। সেখান থেকে গাড়িতে মুংসুং হয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় ফুরুন গাঁওয়ে। মুংসুং থেকে মাত্র ৪ কিলোমিটার দূরে ফুরুন গাঁও। এখানে থাকার জায়গা বলতে হোমস্টে। কোনও হোটেল নেই এখানে। কালিম্পং থেকে ফুরুন গাঁওয়ের দূরত্ব ১৮ কিলোমিটার। অর্থাৎ খুব বেশি দূরেও নয় ফুরুন গাঁও।












Click it and Unblock the Notifications