শীতের বেলায় সোনালি বালুকাবেলায় অবসর যাপন, ঘুরে আসুন কলকাতার কাছে এই নির্জন সৈকতে
জাঁকিয়ে শীত পড়েছে কলকাতায়। এতোটা শীত অনেকদিন হল উপভোগ করেননি শহরবাসী। পিঠে পুলি উৎসবের আগে থেকেই তাপামাত্রার পারদ নামতে শুরু করেছিল। এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডা জমিয়ে উপভোগ করতে বেড়ানোর থেকে সেরা উপায় আর হয় না।
আর শীতে বেড়ানোর সেরা ডেস্টিনেশন সমুদ্র সৈকত। তার উপরে মলদ্বীপ ভার্সেস লাক্ষাদ্বীপ নিয়ে যে ট্রেন্ড শুরু হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাতে বেড়াতে যাওয়ার নাম উঠলেও কোনও সমুদ্রের পাড়ের কথা সবার আগে মনে আসছে। কিন্তু পুরী-দিঘা-মন্দারমনি বড় একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে।

নতুন কোনও সৈকতের সন্ধান যাঁরা করছেন তাঁরা চলে আসুন ওড়িশার নির্জন এই জায়গায়। যার নাম পতি সোনাপুর। একেবারেই অচেনা একটা জায়গা। সেকারণে এখানকার সৈকতও একেবারেই নির্জন। গোপালপুর থেকে এই সৈকতের দূরত্ব মাত্র ৩০ কিলোমিটার। নির্জন সৈকতে সোনালি বালুকাবেলায় রোদে পিঠ সেকতে সেকতে উপভোগ করুন সমুদ্রের বিরামহীন ঢেউ। তারসঙ্গে মুচমুচে মাছভাজা হলে তো কথাই নেই।
শুধুই যে সমুদ্র রয়েছে তা নয়। এই পতি সোনাপুরোর কাছেই আবার রয়েছে পুরুষোত্তমপুরের তারাতাড়িনী মন্দির। ওড়িশার অন্যতম শক্তিপীঠ এটি। ১০০০টি সিঁড়ি ভেঙে এই মন্দিরে পৌঁছতে হয়। যার সৌন্দর্য অসাধারণ। এখান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের দৃশ্য অসাধারণ লাগে।
মন্দির দর্শন করে বেড়িয়ে আসুন ২০ কিলোমিটার দূরের বঙ্গোপসাগর এবং ঋষিকুল্য নদীর মোহনা। কাছেই রয়েছে গোপালপুর বন্দর। আবার ধবলেশ্বর মন্দির এবং সমুদ্র সৈকত মুগ্ধ করবে। ধবলেশ্বর মন্দির তৈরি হয়েছে দ্রািবড় শৈলিতে। দক্ষিণ ভারতের মন্দিরে স্থাপত্যের ছোঁয়া রয়েছে এই মন্দিরে। গোপালপুরের লাইটহাউসও ঘুরে দেখতে পারেন। তবে তার জন্য আগে থেকে অনুমতি নিয়ে রাখতে হয়। লাইট হাউস থেকে সমুদ্র অসাধারণ লাগে দেখতে।












Click it and Unblock the Notifications