পাহাড়ের কোলে রক্তিম সূর্যাস্ত উপভোগ করতে চান, চলে আসুন কালিম্পংয়ের কাছে এই লোকেশনে
বাঙালির বেড়ানো মানেই উত্তরবঙ্গ। উত্তরবঙ্গে এবার রেকর্ড পর্যটকের ভিড় হয়েছে। শীতেও তার কমতি নেই। জানুয়ারি মাসেই ঘুরে আসা যায় একাধিক জায়গায়। উত্তরবঙ্গের একাধিক জয়গা রয়েছে যেখানে এখনও খুব কম সংখ্যক পর্যটক যান। তেমনই একটি জায়গা হল পাশাবং।
কালিম্পংয়ের একেবারে নতুন একটা জায়গা পাশাবং। খুব বেশি পর্যটক এই পাশাবংয়ের কথা জানেন না। তাঁরা লাভা, লোলেগাঁও রিশপ এই সব জায়গায় বেশি ঘুরতে যান। অথচ লাভা থেকে বেশ কাছে এই পাশাবং। একেবারে অচেনা নাম। এখানকার হোম স্টেও একেবারেই অন্যরকমের। একেবারে ভিন্টেজ স্টাইলের কাঠের বাংলোয় থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে এখানে।

লাভা থেকে আলগাড়া দিকে যাওয়ার পথছে মাঝে একটা বাঁ দিকে টার্ন পড়ে সেই রাস্তা দিয়ে থেকে হবে নাথুলার দিকের রাস্তায়। বুম্বাদারা মনেস্ট্রির পাশ দিয়ে যে রাস্তাটা চলে গিয়েছে সেখান দিয়ে গেলেই পড়বে পাশাবং। একেবারকে অফবিট লোকেশন কালিম্পং। গাড়ি নিয়ে সোজা হোমস্টের কাছে পৌঁছে যাওয়া যায়। একেবারে বাংলোর মতো হোমস্টে রয়েছে এখানে।
আলাদা করে ভিউ পয়েন্টের প্রয়োজন হয় না। হোমস্টের চারপাশে অনেকক্ষানি উন্মুক্ত প্রান্তর রয়েছে। সঙ্গে ছোটরা থাকলে বেশ মজা পাবে। একানকার ভিউ পয়েন্টও অসাধারণ। ছোট ছোট বাংলো করে পর্যটকদের থাকার জায়গা রয়েছে। ভুটানি ভিন্টেজ স্টাইলে সাজানো গোটা গোমস্টে।
আবার টেন্টে থাকার বন্দোবস্তও রয়েছে এখানে। ছোট ছোট কাঠের পাটাতনের উপর তৈরি করা হয়েছে টেন্টগুলি। চারপাশে ঘুরতে খুব ভাল লাগবে। এখানে আরেকটা বিশেষত্ব হল ফায়ার প্লেস। একানে একটি রেস্তোরাঁও রয়েছে। যেখানে লাইভ মিউজিক পারফর্ম করা হয়। একেবারে কাঠের তৈরি কটেজগুলি। হোমস্টে চত্ত্বরে একাধিক ভিউ পয়েন্ট রয়েচে।
এখানে অর্কিড দেখা যাবে অনেক রকমের সেই সঙ্গে অরগ্যানিক ফার্মিংও দেখতে পাবেন। সানসেট এনজয় করা যাব। একাধিক কাঠের ঘর রয়েেছ। একেবারে ভিন্টেজ লুকের হোমস্টেতে থেকে কালিম্পংয়ের নাইট ভিউ উপভোগ করতে পারবেন। এখানে সবথেকে ভাল নাইট ভিউ উপভোগ করতে পারবেন।
শীতের শেষবেলায় পাশাবং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা অসাধারণ লাগে দেখতে। ক্যাম্ফফায়ারে আগুন উস্কে দিয়ে হাত সেকতে সেকতে উপভোগ করুন রাতের সৌন্দর্য। কালিম্পংয়ের আলোঝলমলে রাত দেখা যায় এই পাশাবং থেকে। তার সঙ্গে হোমস্টের আলোকসজ্জা অসাধারণ লাগবে। শেষ বেলায় শীত উপভোগ করার সেরা জায়গা হতেই পারে পাশাবং।
যাঁরা এখনও ঠিক করে উঠতে পারছেন না কোথায় যাবেন। বা সরস্বতীপুজো ঘনিষ্ঠ কাউকে নিয়ে বেড়িয়ে আসার জন্য কোনও জায়গা খুঁজছেন তাঁরা অনায়াসেই বেড়িয়ে আসতে পারেন এখান থেকে। এবার আবার ভ্যালেন্টাইনস ডে আর সরস্বতী পুজো একই দিনে পড়েছে কাজেই পাশাবংয়ে একান্তি নিরিবিলিতে ঘনিষ্ঠ কাউকে নিয়ে বেড়িয়ে আসতেই পারেন।












Click it and Unblock the Notifications