ঘন জঙ্গলে বাঘের গর্জন, পালামৌতে যেন এক রহস্য
ঘন জঙ্গলে বাঘের গর্জন, পালামৌতে যেন এক রহস্য
শহুরে কোলাহলে হাঁপিয়ে ওঠা জীবন শান্তির খোঁজে প্রকৃতিকে আঁকড়ে ধরে। কারও পছন্দ সমুদ্র, তো কারও পাহাড় এবং জঙ্গল। ঘুরে বেড়ানোই যাদের নেশা, তাদের কাছে অতি পরিচিত পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্প আনকোরা পর্যটকদের মন জয় করার জন্য যথেষ্ট। ঘন জঙ্গলে বাঘের গর্জনে তৈরি হয় অপার রহস্য।

অবস্থিতি
ঝাড়খণ্ডের মেদিনীনগরের কাছে অবস্থিত পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্প বেতলা ন্যাশনাল পার্ক ও পালামৌ বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যেরই অংশ। লাতেহার জেলার অন্যতম এই খণ্ড পযটকদের অন্যতম আকর্ষণের স্থল।

কীভাবে যাবেন
১,০১৪ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্প পৌঁছনো খুব একটা কঠিন কাজ নয়। প্রথমে ট্রেনে কিংবা প্রাইভেট গাড়িতে ডালটনগঞ্জ পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে পালামৌর পথে অগ্রসর হওয়া বেশ সহজ। মেলে একাধিক যানবাহন।

ইতিহাস
১৯৭৩ সালে ভারত সরকারের বিখ্যাত 'প্রজেক্ট টাইগার'-এর অংশ হিসেবে এই স্থানটিকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ১৯৭৪ সালে পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্পকে ভারতীয় বন আইনের অধীনে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছিল।

কী কী দেখবেন
পালামৌ জঙ্গলের প্রধান আকর্ষণ। যদিও চোরাশিকার সহ অন্যান্য হিংসাত্মক কার্যকলাপের জেরে এই বনে দক্ষিণ রায়ের সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে। ২০১২ সালের সুমারি অনুযায়ী, এই জঙ্গলে মেরেকেটে চার থেকে পাঁচটি বাঘ অবশিষ্ট রয়েছে। তাছাড়া হাতি, চিতাবাঘ, বন্য কুকুর, সম্বর এই জঙ্গলের অন্যতম আকর্ষণ বলা চলে। জনপ্রিয় এই বনকে ঘিরে রেখেছে নানা প্রজাতির গাছগাছালি। যেখানে নানা মরসুমে ভিড় করে পরিযায়ী পাখিরা।

কোথায় থাকবেন
পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্পের আশেপাশে আলাদা করে থাকার জায়গা পাওয়া যাবে না। আগে থেকে অনুমতি নিয়ে ফরেস্ট বাংলোতে থাকার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। অনেকে আবার ডালটনগঞ্জে এক রাত কাটিয়ে সকালে পালামৌ দর্শনে চলে আসেন।












Click it and Unblock the Notifications