জানেন শিবের ডমরুর মত হ্রদ কোথায় আছে? আসতে হবে দুই বঙ্গের সীমান্তে গোমতী নদীর উৎস্যস্থলে
জানেন শিবের ডমরুর মত হ্রদ কোথায় আছে? আসতে হবে দুই বঙ্গের সীমান্তে গোমতী নদীর উৎস্যস্থলে
ত্রিপুরা অনেকেই ঘুরেছেন। কিন্তু কেউ কি কখনও এই ডম্বুর হ্রদ দেখেছেন। ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ত্রিপুরায় রয়েছে এই হ্রদ। অনেকেই এখনও জানেন না কেন এই হ্রদের নাম। সকলেই বলেন আগে থেকেই নাম হয়েছিল। কিন্তু আসলে হ্রদটির আকৃতির জন্যই এই বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছে।

ত্রিপুরায় ডম্বুর হ্রদ
ত্রিপুরায় রয়েছে ডম্বুর হ্রদ। রাইমা ও সাইমা নদীর সঙ্গমস্থলে তৈরি হয়েছে হ্রদটি। একে ত্রিপুরার সবচেয়ে বড় সরোবর বলা হয়ে থাকে। ৪১ বর্গকিলোমিটার এই হ্রদের আয়তন। শিবের ডমরুর আকারে হ্রদটি। সেকারণে এই নাম দেওয়া হয়েছে। এই হ্রদের মধ্যেই রয়েছে ৪৮টি দ্বীপ। শীতকালে সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে এই হ্রদ দেখতে। সেকারণে শীতকালেই এই হ্রদ দেখার ভিড় করেন পর্যটকরা।

প্রচুর পাখির সমাগম
বিশাল জলাশয় হওয়ায় পরিযায়ী পাখিদের ভিড় হয় এই হ্রদে। শীতকালে বহু দেশবিদেশের পাখি ভিড় করে এই জলাশয়ের কাছে। ডম্বুল লেকের চারপাশে রয়েছে জঙ্গল আর পাহাড়। এই হ্রদের গা ঘেসেই রয়েছে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত। বাংলাদেশের চট্টোগ্রামের পাহাড় রয়েছে এই হ্রদটির গা ঘেষে। হ্রদে রয়েছে প্রচুর রকমের মাছ। তবে সেখানে খুব একটা মাছ ধরা হয় না।

গোমতী নদীর উৎসস্থল
ডম্বুর লেকের কাছেই রয়েছে গোমতী নদীর উৎসস্থল। স্থানীয়রা একে তীর্থ মুখ নামেই। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিতে এই লেকের ধারে মেলা বসে। সেই মেলা দেখতেই ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। বিভিন্ন জনজাতির মানুষ এখানে ভিড় করেন। তাঁরা। অনেক পর্যটক আসেন এই মেলা দেখতে। শীত কালে না গেলে এই সময়েও অনেকে মেলা দেখতে আসতে পারেন

়কীভাবে যাবেন
ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয় এই লেক। আগরতলা থেক ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। উদয়পুর থেকে এর দূরত্ব ৬৫ কিলোমিটার। আর অমরপুর থেকে যেতে সময় লাগে ৩৩ কিলোমিটার। ছবি মুড়া থেকেও এই লেকের দূরত্ব খুববেশি নয়। অনায়াসে ঘুরে আসা যায় অনেকে আবার উদয়পুর এবং অমরপুর থেকে ডোম্বুর লেক দেখতে আসেন। হ্রদে নৌকা বিহারের সুযোগও রয়েছে।
ছবি সৌ:ইউটিউব












Click it and Unblock the Notifications