Offbeat Darjeeling: একদিকে নেপাল আরেক দিকে ঘন সবুজ চা-বাগান, বেড়িয়ে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
বর্ষা শেষের পথে। এবার একে একে উত্তরবঙ্গের একাধিক হোমস্টে খুলতে শুরু করেছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে পাহাড়ের অনেক অজানা জায়গায় যাওয়ার পথ খুলে যায়। যেটা বর্ষাকালে পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকে। পাহাড়ে বর্ষা ভয়ঙ্কর। সেকারণে সবসময় সব জায়গা পর্যটকদের জন্য খোলা থাকে না।
সকলে দার্জিলিং-কালিম্পং-কার্শিয়াং এই জায়গাগুলিতেই বেশি যান পর্যটকরা। অফবিট জায়গা গুলির দরজা খুলতে শুরু করে সেপ্টেম্বর মাস থেকে। সেকারণে যাঁরা ট্রেনের টিকিট কেটে ফেলেছেন কিন্তু জায়গা ঠিক করে উঠতে পারেননি তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে দার্জিলিংয়ের কাছেই এই অফবিট জায়গা।

ওকাইত চা বাগান। মিরিকের কাছেই। কিন্তু এই চা বাগানে যে হোম স্টেতে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে সেকথা অনেকেই জানেন না। চা-বাগানের একেবারে মাঝে রয়েছে এই হোম স্টে টি। পুরোটা কাঠের তৈরি। অসাধারণ সেই জায়গার সৌন্দর্য। হোম স্টের বারান্দা থেকে বিস্তীর্ণ চা বাগান দেখা যায়।
এই জায়গাটির আরেকটি বিশেষত্ব হল এই চা বাগানটি রয়েছে একেবারে নেপাল সীমান্তে। হোমস্টের বারান্দা থেকে দেখা যায় নেপালের পাহাড়, জনপদ। সেখানকার একটি ভিউ পয়েন্টও দেখতে পাওয়া যায়। মিরিক থেকে যে পথ পশুপতি মার্কেটের দিকে চলে গিয়েছে সেই পথ ধরে যেতে হয় ওই ভিউ পয়েন্টে। নেপালের পশুপতি মার্কেটে ভারতীয়দের অবাধ প্রবেশাধিকার সেটা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

ওকাইত চা-বাগানের একদিকে যেমন চাবাগানে থাকার একটা অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় ঠিক তেমনই চাবাগান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘার সূ্র্যোদয় দেখতেও অসাধারণ লাগে। এই চা-বাগানটি তৈরি হয়েছিল ১৮৭০ সালে। কাজেই দার্জিলিংয়ের সবচেয়ে পুরনো চা-বাগানগুলির মধ্যে একটি এটি। চাবাগানটি মিরিক ভ্যালি থেকে ৫৬ কিলোমিটার দূরে। এখানে শেয়ার গাড়িতে যাওয়া যায়। মিরিক লেক থেকে খুব বেশি দূরে নয়। শেয়ার গাড়িতে শিলিগুড়ি থেকে যেতে লাগে ৩০০ টাকা। আর গাড়ি বাড়া করলে আড়াই থেকে ৩০০০ টাকা লাগে।












Click it and Unblock the Notifications