মাঘ-ফাগুনের দুপুরে দ্বীপের মাঝে চড়ুইভাতি, কলকাতার কাছেই অপেক্ষা করছে মঙ্গলদ্বীপ
কাছেই রয়েছে গোসাইয়ের চর
সপ্তাহান্তের ছুটিতে কলকাতায় ঘুরতে ঘুরতে এক ঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। তাহলে চলে আসুন কলকাতার এক্কেবারে কাছেই মঙ্গল দ্বীপে। হুগলি নদীর উপরে তৈরি হয়েছে এই মঙ্গলদ্বীপ। মাঠ-ফাগুনের দুপুরে জমিয়ে চড়ুইভাতি করে নেওয়া যেতে পারে। আবার নিছক বেড়াতেও বেশ মন্দ লাগবে না।

ঘরের কাছেই মঙ্গলদ্বীপ
কলকাতার কাছে কোনও অ্যাডভেঞ্চারে যেতে চান। চলে আসুন মঙ্গলদ্বীপে। নদীর মাঝে বিশাল এই দ্বীপ এখন পর্যটকদের নতুন ডেস্টিনেশন বললে ভুল হবে না। সেখানে তৈরি করা হয়েছে একটা পার্কের মত। অনায়াসে সেখানে আসা যায়। কলকাতা থেকে মাত্র এক দেড় ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই মঙ্গলদ্বীপে। এই মঙ্গলদ্বীপের আনুষ্ঠানিক নাম মঙ্গলদ্বীপ ইকো ট্যুরিজিম পার্ক। এখানে যেকেউ পিকনিক করতে বা ঘুরতে আসতে পারেন।

কীভাবে যাবেন
ট্রেনে যেতে হবে মঙ্গলদ্বীপে। শিয়ালদহ থেকে নদীয়া গামী শান্তিপুর লোকাল বা কৃষ্ণনগর লোকাল বা রানাঘাচ লোকালে চড়ে আসতে হবে এখানে। মঙ্গল দ্বীপের নিকটবর্তী ট্রেন স্টেশন পায়রাডাঙা। স্টেশন থেকে টোটোয় চড়ে আসতে হবে চূর্নী নদীর ঘাটে। শিবপুর ঘাট থেকে ছাড়ে নৌকা। ৫০ টাকার বেশি খরচ করতে হবে না। নৌকা করে এসে নামতে হবে মঙ্গলদ্বীপে। এখানে পিকনিকের সবরকম বন্দোবস্ত রয়েছে। মঙ্গলদ্বীপ ইকো ট্যুরিজিম পার্কের এখনও তৈরি হচ্ছে। সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে পার্কটা। অনেকটা ইকোপার্কের আদলেই তৈরি করা হয়েেছ এটি। ভোর পাঁচটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ফেরি পরিষেবা।

জঙ্গলে ছোঁয়া রয়েছে মঙ্গলদ্বীপে
জনবসতী নেই এই নদীর চড়ায় কেবল গাছ গাছালি রয়েেছ। বড় বড় বৃক্ষেরও দেখা মিলবে এখানে। থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা অবশ্য এখানে নেই। এখানে পিকনিক করতে হলে নিজেদের খাবার নিয়ে যেতে হবে অথবা রান্নার সব সরঞ্জাম নিয়ে যেতে হবে। েসই সঙ্গে আগে থেকে জানিয়ে রাখতে হবে এই পার্কটি যাঁরা তৈরি করছে তাঁদের। জলের পর্যাপ্ত সুবিধা রয়েছে। পার্কের মধ্যেই পরিশ্রুত পানীয় জলের বন্দোবস্ত রয়েছে।

গোয়াইয়ের চর
মঙ্গলদ্বীপের কাছেই রয়েছে গোয়াইয়ের চড়। গঙ্গা আর চূর্ণি নদীর সঙ্গমস্থলে তৈরি হয়েছে এই গোসাইয়ের চর। সেখানে আবার নোকার হাল বেয়ে চলে না। এপার ওপারে দড়ি টাঙানো রয়েছে। সেই দড়িই বেয়েই যায় নৌকা। হাল টানতে হয় না মাঝিকে। গোসাইয়ের চরে মূলচ চাষবাস হয়ে থাকে । প্রচুর কলা গাছের বাগান রয়েছে। রয়েছে বড় আম বাগান। মঙ্গলদ্বীপে ঘুরতে এসে অনেকেই চলে আসেন এই গোসাইয়ের চর দেখতে। কাজেই হাতে সময় নিয়ে আসবেন।












Click it and Unblock the Notifications