Mohorgaon Gulma: দেখা মিলতে পারে হাতির, চলে আসুন শিলিগুড়ির কাছেই এই অফবিট লোকেশনে
পুজোতে পাহাড় আর সমু্দ্র এই দুইয়ের বাইরে খুব বেশি হলে ডুয়ার্সের চা-বাগানে ঘুরতে যান সকলে। কিন্তু উত্তরবঙ্গের এন্ট্রিগেট শিলিগুড়ির আশপাশে যে কত অজানা জায়গা রয়েছে সেটা কেউ জানেন না। সেরকমই একটা জায়গা মোগরগাঁও গুলমা।
এক্কেবারে নতুন নাম। যার খুব একটা পরিচিতি নেই বললেই চলে। অথচ শিলিগুড়ি থেকে একেবারে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রয়েছে সেটি। মহানন্দা নদীর পাড়ে জায়গাটিতে শীতকালে স্থানীয় লোকেরা আসেন। তবে সেটাই খুূব একটা বেশি নয়। অথচ মহানন্দার সাদা বালির রিভার বেডের যে সুবিশাল বিস্তৃতি সেটা এখানে এসে বোঝা যায়। রিভার বেডের উপর দিয়ে অনায়াসেই গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

মোহরগাঁওয়ের পরিচিতি শিলিগুড়ির মানুষের কাছে নিতান্তই একটি পিকনিট স্পটের। আসলে তারা সারাদিন এতোটাই প্রকৃতির সৌন্দর্যের কাছে বাস করেন যে তাঁদের কাছে এই মোহরগাঁও তেমন কিছু নয়। কিন্তু আমরা যাঁরা সারাদিন ইট-কাঠ পাথর, বড় বড় বহুতল। কালো পিচের রাস্তা আর গাড়ির কোলাহলের মধ্য দিন কাটাই তাঁদের মন ভাল হয়ে যাত শিলিগুড়ি স্টেশনে নামলেই।
আমাদের কাছে শিলিগুড়ি স্টেশনটাই যেন মুক্তির স্বাদ। একটু শ্বাস নিয়ে বাঁচার জায়গা। সেকারণে যাঁরা এখনও হোটেল বুকিং পাচ্ছেন না। অথবা যুত সই জায়গা পাচ্ছেন না তাঁরা বেড়িয়ে আসতে পারেন মোহরগাঁও-গুলমা থেকে। গুলমা আসলে শিলিগুড়ির পরের স্টপেজ। এই মহানন্দা নদীর উপরে একটি রেল ব্রিজ রয়েছে। দূর থেকে তার উপর দিয়ে ট্রেন যেতে দেখতে অসাধারণ লাগে।

এখানে আবার হাতির দেখাও পাওয়া যায়। কারণ মহানন্দা নদীর এক পাড়েই রয়েছে গুলমা ফরেস্ট। যেটি এই হোমরগাঁও থেকে খুব বেশি দূরে নয়। কপাল ভাল থাকলে সেই হাতির দেখা পেয়ে যেতে পারেন। আবার স্থানীয়রা অনেকে বলেন মাঝে মধ্যে নাকি চিতাবাঘের দেখাও তাঁরা পান। কাজেই এখানে এলে একদিকে আরেকদিকে জঙ্গলের রোমাঞ্চ দুই উপভোগ করা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications