বাতিল হচ্ছে একের পর এক বুকিং, তিস্তার আতঙ্কে উত্তরবঙ্গে প্রবল ধাক্কা পর্যটনে
তিস্তার প্লাবনের জেরে পুজোর মুখে উত্তরবঙ্গে পর্যটনে বিপুল ধাক্কা। একের পর এক বুকিং বাতিল করছেন পর্যটকরা। মাথায় হাত উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ীদের। এমনকি পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির ব্যবসাও ধাক্কা খাচ্ছে। কারণ উত্তরবঙ্গে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে গাড়ি ব্যবসা ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা সারা বছর এই সময়টির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। পুজোর তিন মাস আগে থেকে শুরু হয়ে যায় বুকিং। শেষ বেলায় তো বুকিং পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু এবার যেন সব পরিকল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে তিস্তার প্লাবন। ১ অক্টোবর থেকে পাহাড়ের সব পর্যটন কেন্দ্র খুলে গিয়েছে।

সব ঠিক ঠাক চলছিল হঠাৎ করে প্লাবন আসে তিস্তায়। সিকিমের চুংথাংয়ের লোনক হ্রদ ফেটে বিপুল পরিমান জল তিস্তায় এসে মিশতে শুরু করে। তার জেরে একেবারে ফুলে ফেঁপে ওঠে তিস্তা। ভাসিয়ে নিয়ে যার গ্রামের পর গ্রাম। চার থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় উঠে গিয়েছিল তিস্তার জল। বিধ্বংসী বন্যায় প্রাণ গিয়েছে অনেকের। পাহাড়ের একাধিক জনপদ ভেসে গিয়েছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে চারিিদকে।
১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে তিস্তার জলে। ফলে সিকিম যাওয়ার যে মূল রাস্তা সেটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে দার্জিলিং যেতে হচ্ছে ঘুর পথে। কালিম্পংয়ের পথও বিপর্যস্ত। তিস্তাবাজার এলাকা প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেক পর্যটকই পাহাড়ে যাওয়ার সাহস দেখাতে পারছেন না। একের পর এক বুকিং বাতিল হচ্ছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়।
উত্তরবঙ্গে পর্যটনে ধাক্কা খাওয়ার জেরে প্রভাব পড়েছে গাড়ি ব্যবসাতেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার জন্য মূলক শিলিগুড়ির টার্মিনাস থেকে গাড়ি ভাড়া করেন সকলে। কিন্তু এবার যেন মাছি মারছেন গাড়ি ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের তেমন দেখা নেই। অন্যান্যবার পর্যটকদের ভিঁড়ে গাড়ি পাওয়া যায় না। এবার গাড়ি থাকলেও পর্যটকের দেখা নেই।












Click it and Unblock the Notifications