মাঝিধুরা, মনোরম আবহাওয়ায় বেড়িয়ে আসুন এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামে
বেশ মনোরম আবহাওয়া এখন পাহাড়ে। মেঘ বৃষ্টির লুকোচুরি চলছে। কখনও মেঘ তো ককনো বৃষ্টি। এই মনোরকম আবহাওয়ায় দু-তিনটে দিন একটু ছোট্ট পাহা়ড়ি গ্রামে কাটাতে পারলে মন্দ হত না। ঘরের কাছে এমন সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে মাঝিধুরা।
রামধুরার নাম তো সকলেই শুনেছেন। কিন্তু মাঝিধুরা? সত্যিই কি এমন কোনও জায়গা রয়েছে। সুন্দরী উত্তরবঙ্গে অজানা জায়গার অভাব নেই। মাঝিধুরা এমনই একটা অনামী জায়গা। ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। দার্জিলিংয়ের কাছেই। যেতেও খুব একটা ঝক্কি নেই। সুখিয়াপোখরি থেকে শেয়ার গাড়িতে মাত্র ২৫০ টাকা দিলেই পৌঁছে যাওয়া যায় মাঝিধুরা। কাজেই এখানে আসতে বেশি টাকাও খরচ করতে হবে না।

পাহাড়ি ছোট্ট গ্রাম মাঝিধুরা। সেখানে ছোট ছোট পাগাড়ি বাড়ি আর বাগান। সেই ছোট ছোট বাড়িতেই নিজেদের সাধ্যমত অতিথিদের আপ্যায়ণ করে থাকেন গ্রামবাসীরা। ছোট্ট গ্রামে তাঁদের সাদা মাঠা জীবন যাপনে কয়েকটা দিন একেবারে অন্যরকম কাটবে। গরম জলের ঘরের মধ্যেই পাওয়া যাবে। বাথরুমেই রয়েছে গিজার। দার্জিলিংয়ের মত জলের কষ্টে পড়তে হবে না কাউকে।

একেবারে নির্ভ্যাজাল খাবার পাওয়া যাবে এখানে। গ্রামেই শাক সবজি চাষ করা হয়। সেই সব অর্গ্যানিক চাষ গয়ে থাকে। কোনও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় না। চারিদিকে সবুজ কার্পেট বিছিয়ে রাখা হয়েছিল বলে মনে হবে। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে মেঘেদের লুকোচুরি খেলা দেখা যায়। যেদিকে চোখ যায় সেিদকে মেঘের খেলা। আকাশ খুব পরিষ্কার থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘাও উঁকি দেয়।

গ্রামের কাছেই রয়েছে একাধিক ভিউ পয়েন্ট। রয়েছে মনেস্ট্রি। হেঁটেই সেগুলি ঘুরে দেখে যায়। গ্রামের পথে ঘুরতে ঘুরতেই গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা দেখতে পােবন। মনেস্ট্রির কাছের পরিবেশ আরও সুন্দর। পাইনের জঙ্গলের মাঝে রয়েছে এই মনেস্ট্রি। ভিউ পয়েন্টে গেলে মনে হবে মেঘের উপর ভাসছে মাঝিধুরা। পাইনের জঙ্গলে মেঘেদের ঘেরাফেরা মনে ধরে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications