Travel: ঝরনার সঙ্গে টলটলে জলের হ্রদ, ঘুরে আসুন পুরুলিয়ার এই অফবিট লোকেশনে
ফেব্রুয়ারি মাস প্রায় শেষের পথে। মার্চ মাসে অনেকেই পুরুলিয়া বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করে ফেলেছেন। বিশেষ করে দোল পূর্ণিমায় অনেকেই যেতে চাইছেন পুরুলিয়া। শুধু অযোধ্যা পাহাড় নয় পুরুলিয়ার অনেক জায়গাতেই এখন ভিড় করছেন পর্যটকরা। পুরুলিয়া জুড়ে গড়ে উঠেছে একাধিক হোটেল-রিসর্ট।
বসন্তে এখন শান্তিনিকেতন ছেড়ে পুরুলিয়াতেই বেশি যান পর্যটকরা। সেখানে আলাদা করে হোলি খেলার প্রয়োজন হয় না বসন্তে প্রকৃতিই এখানে হোলি খেলে। চারিদিক পলাশ-কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, শিমূল ফুলে ভরে যায়। লাল মাটির রাস্তার সঙ্গে লাল রঙের ফুলের মেলা একেবারে প্রকতির রঙের হোলি খেলা যাকে বলে।

এই পুরুলিয়ায় একাধিক অফবিট লোকেশন তৈরি হয়েছে। যার মধ্যে একটি হল মামুডি। পুরুলিয়া জেলার ঝালদার অংশ এই মামুডি। ঝালদা শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। একেবারে আদিবাসী এলাকা। খুব বেশি মানুষের বাস নেই। জঙ্গল-পাহাড় আর ঝরনা এই তিন মিলে তৈরি হয় পুরুলিয়া। গ্রামের মেঠো পথ ধরে এগিয়ে যাবে গাড়ি।
পথে পড়বে মুরুগুমা জলাধার। সেই জলাধারও অসাধারণ। গাড়ি থামিয়ে বেশ কিছুটা সময় এখানে কাটিয়ে যেতে পারেন। মুরুগুমা জলাধারকে পাশে রেখে এগিয়ে চলবে গাড়ি। পথে পড়বে ওকমাবরু ভিউপয়েন্ট। এখানে একটি ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। সেখান থেকে পুরুলিয়ার পাহাড়ি এলাকার একটি বিস্তীর্ণ ভিউ পাওয়া যায়। মুরুগুমা লেকেরও অসাধারণ দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।
মামুডিতে রয়েছ দেউল ঘাটা। পোড়া মাটির এই দেউলের এখন প্রায় ভগ্নপ্রায় দশা। বাঁকুড়ার পোড়ামাটির টেরাকোটার কাজের মিল পাওয়া যায় এই মন্দিরে। দেউলের ভেতরে আজও কিন্তু পুজিত হন শিবলিঙ্গ। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে দেউলটির ভগ্নপ্রায় দশা। দেউল দেখে বেরিয়ে চলে আসুন তিলাইটার জলাধার। খুব বেশি পর্যটকের ভিড় এখানে হয় না। অনেকেই এখনও এই জলাধার দেখতে আসেননা।
তিন দিকে পাহাড় তাতে বাঁধ দিয়ে তৈরি হয়েছে এই জলাধার। পাহাড়ের গায়ে থাকা আদিবাসী গ্রাম তিলাইটার থেকে এই জলাধারের নাম তিলাইটার। আবার গোয়ালকোচর বলেও ডাকা হয় এই জলাধারটিকে। এখান থেকে চলে আসুন নাগেশ্বরী জলাধার। এইটিই মামুডির মূল আকর্ষণ। বর্ষার সময় এই ঝরনা অসাধারণ লাগে দেখতে। এই সময় জল কমে আসে। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলে গিয়েছে এই ঝরনায় যাওয়ার পথ। সে এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা।












Click it and Unblock the Notifications