Machranga Island: কলকাতা থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রয়েছে এই অজানা দ্বীপে, ইলিশের স্বাদ নিতে বেড়িয়ে আসুন সেখানে
মাছরাঙা দ্বীপ। নামটা একেবারেই অচেনা। কিন্তু জানেন কি কলকাতার কােছই রয়েছে সেই জায়গা। সপ্তাহান্তের ছুটিতে অনায়াসেই কাটিয়ে আসা যায় সেখানে। কলকাতা শহর থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই মাছরাঙা দ্বীপ।
যেখান থেকে দেখা যায় বাংলাদেশ। আর বর্ষায় ইলিশের স্বাদ নেওয়ার কথা ভুললে চলবে কেন। বাংলাদেশ যখন কাছে তখন ইলিশ তো মিলবেই। দ্বীপটি ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত। টাকির কাছেই তার অবস্থান। ইছামতি নদী এবং ভাসা নদীর মিলন স্থলে তৈরি হয়েছে দ্বীপটি।

টাকিকে মিনি সুন্দরবন বলা হয়। এখান থেকে সুন্দরী ম্যানগ্রোভ গাছের জঙ্গল দেখা যায়। ইছেমতী নদীর অপর পাড়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এই মাছরাঙা দ্বীপ থেকেও দেখা যায় বাংলাদেশ। এমনকী বাংলাদেশের জেলেদের মাছ ধরাও দেখা যায় এই দ্বীপ থেকে। এক দিনের ছুটিতেই এখান থেকে ঘুরে আসা যায়।
ট্রেনে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসনাবাদ লোকালে পৌঁছে যাওয়া যায় টাকি। স্টেশন থেকে অটোতে বা টোটোতে চলে আসুন ইছামতী নদীর পাড়ে। সেখান থেকে ছাড়ে নৌকা। সেই নৌকায় পৌঁছে যাওয়া যায় এই মাছরাঙা নদীর পাড়ে। যাঁরা একটু অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ করেন তাঁদের পক্ষে এই মাছরাঙা দ্বীপ সেরা জায়গা।

এই দ্বীপে অসংখ্য প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। মাছরাঙা পাখি তো দেখা দেবেই। মাঝের লোভেই মাছরাঙা পাখি ভিড় করে এই দ্বীপে। সেই কারণেই এই দ্বীপের এই নাম করণ করা হয়েছে। মাছরাঙা দ্বীপে দিনের বেলা কাটিয়ে ফিরে আসুন টাকিতে। সেখানে থাকার অনেক জায়গা রয়েছে।
শীতকালে অনেকেই মাছরাঙা দ্বীপে পিকনিক করতে আসেন। টাকি থেকে এই মাছরাঙা দ্বীপে পৌঁছতে ৩০ মিনিট সময় লাগে। অর্থাৎ নদীর অনেকটা ভেতরে রয়েছে জায়গাটি। এখানে তেমন কোনও বসতি নেই। পর্যটকরা ঘুরতে যান। আবার সেখান থেকে টাকিতে ফিরে আসেন। হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতি দ্বীপটি দেখাশোনা করে।












Click it and Unblock the Notifications