Lungsel: বৃষ্টিভেজা পাহাড়ি গ্রামে কফির ক্ষেত দেখতে চান, চলে আসুন কালিম্পংয়ের এই অফবিট লোকেশনে
বর্ষা তো কি হয়েছে। অগাস্টে দার্জিলিংয়ের বুকিং দেখলে চমকে উঠবেন। কোনও হোটেলেই ঠাঁই নাই দশা। এমকি অফবিট পাহাড়ি গ্রামগুলিতেই পর্যটকদের ভিঁড় বাড়ছে। কাজেই যাঁরা বর্ষায় মোহময় পাহাড় দেখতে চান তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছেন লাংসেল।
কালিম্পং জেলার ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম লাংসেল। সবুজ প্রকতিক কোলে নির্ভেজাল ছুটির দিন কাটানোর সেরা সময়। এখানে এলে কফির চাষও দেখতে পাবেন। একেবারে অর্গ্যানিক ফার্মিং হয়। স্কোয়াস থেকে শুরু করে হলুদ-আসা সব কিছুর চাষ হয় অর্গানিক পদ্ধতিতে। কাজেই লাংসেল যে প্রকৃতিক দিক থেকেও মনোরম তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

বর্ষার বৃষ্টি ভেজা পাহাড়ি গ্রাম যেন আরও সবুজ হয়ে ওঠে। রাস্তার বাঁকে বাঁকে ঘুরতে অসাধারণ লাগে। শিলিগুড়ি থেকে ৭৫ কিলোমিটারপ দূরে লাংসেল। এখান থেকে একাধিক জায়গা দেখার রয়েছে। ২ দিনের ছুটিতে অনায়াসেই বেড়িয়ে আসা যায়। লাংসেলে থেকে আশপাশের অনেক জায়গা দেখা যায়। তার মধ্যে রয়েছে গীতখোলা। গ্রামের পথে ট্রেকিং করে বা হাঁটতে হাঁটতেই পৌঁছে যাওয়া যায় গীতখোলায়। সেখানে ছোট্ট একটা ঝরনা। তার উপরে রয়েছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি একটি ব্রিজ। পরে আবার নতুন করে একটি ঢালাই ব্রিজ পাশে তৈরি হয়েছে।
বর্ষায় স্রোতস্বিনী হয়ে ওঠে গীতখোলা। রিভার বেডে নেমেও থেকে পারেন। আবার কাছেই রয়েছে থ্রিসিস্টার ফলস। পর পর তিনটি ঝরনা। তিনটি ঝরনার জল এসে মিশেছে গীতখোলা নদীতে। দূর থেকে অনেকটা মেঘালয়ের সেভেন সিস্টার ফলসের ফিল দেবে।

ঝরনা দেখেই আবার হাঁটতে হাঁটতে ঘুরে নিন ভিউ পয়েন্ট গুলি। চার্চ-মন্দির যে জায়গা গুলিতে রয়েছে সেগুলিও একটি করে ভিউ পয়েন্ট। কাজেই সেখানে অনেকটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়। ভেজা ভেজা গাছপালা আর সুন্দর সব ফুলের বাহার অসাধারণ লাগে দেখতে। কাজেই আর দেরি না করে ১৫ অগাস্টের ছুটির প্ল্যানটা সেরে ফেলুন। লাংসেল ভিলেজ অপেক্ষা করে রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications