Kotumsar Cave: আদিম মানুষের বাস ছিল এই গুহায়, হাজার হাজার বছরের প্রাচীন সেই স্থান রয়েছে কলকাতার কাছেই
ভারতে প্রাচীণ কাল থেকেই মানব সভ্যতা রয়েেছ। কিন্তু যখন মানুষ গুহায় থাকত। সেই আদিম সময়ে কেমন হতো গুহাগুলি দেখেছেন কখনও। অথচ কলকাতার কাছেই রয়েছে এমন একটি জায়গা। ছত্তিশগড়ের কাঙ্গেরভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের কুটুমসর গুহা মনে করিয়ে দেবে আদিম মানুষদের সেই কথা।
ভারতের প্রাচীণ গুহা গুলির মধ্যে একটি এই কুটুমসর গুহা। লাইম স্টোনের তৈরি। এর গভীরতাও অনেক। আবার এখানে প্রবেশের পথও খুব একটা সুগম নয়। ছত্তিশগড়ের জগদলপুরে কাঙ্গের নদীর পাশেই তৈরি হয়েছে গুহািট। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই গুহাটি।

ছত্তিশগড়ের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র এটি। এই গুহার ভেতরে প্রাগৈতিহালিক মানুষের বসবাস করার চিহ্ন পেয়েছিলেন প্রত্নতাত্তিকরা। লাইম স্টোনের বয়স ২৫০ কোটি বছরেরও বেশি বলে মনে করেন প্রত্নতাত্ত্বিক এবং ভূবিজ্ঞানীরা। তবে এই গুহার ভেতরে একটা সময়ে জলে ভরা থাকত। তার চিহ্ন মেলে গুহার পাথরে। ব্রিিটশ আমোলেই গুহার সন্ধান মিললেও তেমন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৯৫১ সালে। ১৯৮০ সালে এই গুহা নিয়ে গবেষণা শুরু একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।
৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত আগে এর ভেতরে যাওয়া যেত। এখন তার থেকে আরও বেশি যাওয়া যায়। তবে গাইড নিয়েই যাওয়া ভাল। গুহার ভেতরে অনেক পাথরের আকার শিবলিঙ্গের মতো। সেকারণে স্থানীয় গ্রামবাসীরা এখানে পুজোও করে থাকেন। আবার স্থানীয়দের দাবি ভগবান রাম নাকি ১৪ বছর বনবাসের অনেকটা সময় এই কুটুমসর গুহাতে কাটিয়েছিলেন। বলা হয়ে থাকে এই গুহার ভেতরে শিবলিঙ্গের স্থাপনা রামচন্দ্রই করেছিলেন। এবং তিনি পুজো করতেন।

শোনা যায় এই গুহার নীচে একটি জলাশয়ও রয়েছে। সেখানকার সব মাছ নাকি অন্ধ তারা দেখতে পায়না। পরীক্ষা করে দেখাও গিয়েছে তার প্রমাণ। আসলে গুহার ভেতরে এতোটাই অন্ধাকর যে মাছগুলি গুহার জলাশয়েই থেকে থেকে দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। নতুন মাছের জন্ম হলেও তােদর দৃষ্টি শক্তি থাকে না। সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন এমনি একটি রহস্যঘেরা পৌরাণিক গুহা থেকে। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হবে।












Click it and Unblock the Notifications