Kolkata-Bangkok Road: কলকাতা থেকে ব্যাঙ্কক সোজা গাড়িতে, সত্যি হতে চলেছে আর কয়েকদিনের মধ্যেই
ব্যাঙ্ককে বিমানে চড়ে আর যেতে হবে না। এবার একেবারে গাড়িতেই সটান পৌঁছে যাওয়া যাবে পছন্দের ডেস্টিনেশনে। কলকাতা থেকে তৈরি হচ্ছে ব্যাঙ্কক হাইওয়ে। আর বেশি দেরি নেই মাত্র কয়েক বছরের অপেক্ষা। তারপরেই সোজা গাড়ি হাঁকিয়ে পৌঁছে যেতে পারবেন সেখানে।

কলকাতা থেকে ব্যাঙ্কক সড়কপথে
সাগর পেরিয়ে যেখানে যেতে হয়। সেখানে সড়ক পথে পৌঁছে যাওয়া যাবে কীভাবে তার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। কলকাতা থেকে ব্যাঙ্কক পর্যন্ত হাইওয়ে তৈরি হচ্ছে। ২৮০০ কিলোমিটার এই সড়ক তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। ভারত থেকে মায়ানমার হয়ে এই সড়ক পৌঁছে দেবে থাইল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে। ত্রিদেশীয় এই সড়ক তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগবে না। মাত্র ৩ থেকে ৪ বছরেই নাকি তৈরি হয়ে যাবে এটি।

কবে তৈরি হবে রাস্তাটি
২০২৭ সালের মধ্যে রাস্তাটির নির্মাণ শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রথম এই সড়কটি নির্বাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে ত্রিদেশীয় সড়কটি তৈরির চুক্তিস্বাক্ষরিত হয়েছিল মায়ানমার এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গে। কিন্তু ২০০২ সালে সেই চুক্তি হলেও এতোদিনেও কেন তৈরির কাজ শুরু হয়নি।

কেন দেরিতে কাজ
২০০৯ সালে ভারত মায়ানমার সড়ক তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে মাঝপথেই থমকে যায় সেই নির্মাণের কাজ। তারপরেই মনমোহন িসং সরকার ২০১৪ সাল পর্যন্ত এই সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখেন। ২০১৬ সালে আবার কাজে গতি আসে। মায়ানমার সরকারকে বেশ িকছু ব্রিজ তৈরির জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়ার চুক্তি করে ভারত। ২০১৭ সালের অগস্ট মাসের মধ্যে মায়ানমার অংশের সব রাস্তা তৈরির কাজ শেষ হয়ে যায় এই প্রকল্পে।

এবার শেষ পর্যায়ের কাজ
ভারত-মায়ানমারের অংশের কাজ শেষ এবার শেষ পর্যায়ের কাজ হতে চলেছে। ২৮০০ কিলোমিটার রাস্তায় খুব অল্প অংশের কাজ বাকি রয়েছে। ব্যাঙ্কক এবং সুখোতাই, মন্ডালায়, ইয়াঙ্গন, কেলেওয়া , টেমু হয়ে ভারতের কোহিমা, মোরে, শ্রীরামপুর, গুয়াহাটি, শিলিগুড়ি এবং কলকাতা দিয়ে যাবে এই হাইওয়ে। কাজেই ব্যাঙ্ককও এখন হাতের মুঠোয়। ঢাকা বাংলাদেশ, ভুটান-ভারত, নেপাল ভারতের মত ব্যাঙ্কক- ভারত বাস পরিষেবা চালু হতেও আর বেশিদিন সময় লাগবে না।
ছবি সৌ:পিক্সেলস












Click it and Unblock the Notifications