Kanaisahar Hill: বর্ষার আবাহনে হয় পাহাড়পুজো, আশ্চর্য এই উৎসব দেখতে চলে আসুন কানাইসরে
Kanaisahar Hill: বর্ষায় কাছে পিঠের কোথাও বেড়াতে যেতে চাইছেন? ঝাড়গ্রাম-পশ্চিম মেদিনীপুর এই সময় সেরা জায়গা। লাল মাটির দেশে আদিবাসীদের সঙ্গে কাটিয়ে যান কয়েকটা দিন। সপ্তাহান্তের ছুটির সেরা ঠিকানা তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
বর্ষায় পাহাড়ে
বর্ষায় চলে আসুন এই পাহাড়ে। তবে এই পাহাড়ে ধস নামে না। নেই সেই ভয়াভহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কোনও সম্ভাবনা। কাজেই নিশ্চিন্তে বেড়িয়ে আসুন জঙ্গল মহলের পাহাড়পুর থেকে। বর্ষায় অসাধারণ লাগে এখানে থাকতে। লাল মাটির দেশে সবুজে মোড়া জায়গা পাহাড়। এখানে বেড়িয়ে আসুন কানাইসোর পাহাড় থেকে। একেবারে অফবিট জায়গা।

পাহাড় পুজো
পাহাড় পুজো। শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধন পর্বত কড়ি আঙুলে তুলেছিলেন। তার পর থেকে গোবর্ধন পর্বতকে পুজো করার রীতি রয়েছে। কিন্তু জানেন কি আমাদের রাজ্যেও হয় পাহাড় পুজো। আসলে এটা একেবারেই আদিবাসীদের একটা উৎসব। পাহাড়পুরে বেলপাহাড়ি এবং ঝাড়গ্রামের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার আদিবাসীরা পুজো করেন পাহাড়েরক। পাহাড় দেবতাকে তুষ্ট করতে পারলে নাকি সারাবছর ফসল ভাল হয়। এমনই বিশ্বাস আদিবাসীদের।
কোন পাহাড়ের পুজো
বেলপাহাড়ি এবং ঝাড়খণ্ডের সীমানায় রয়েছে এই কানাইসর পাহাড়। আষাঢ় মাসের তৃতীয় শনিবার এখানে পুজো হয় এই কানাইসর পাহাড়ে। এই সময় তিনদিন ধরে মেলা বসে এখানে। প্রথম দিন সকলের প্রবেশের অধিকার থাকলেও দ্বিতীয়দিন আদিবাসী ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারেন না এই পাহাড়পুজোর মেলায়। আদিবাসী সংস্কৃতিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ মেলে এখানে এলে।

অন্যরকম মেলা
এই পাহাড়পুজোর মেলা একেবারে অন্যতরক। চিনা বাদাম থেকে তীর ধনুক। এমনকি তারির পসরা বসে। এছাড়া জিলিপি, মিষ্টি , শালপাতার টুপি, কাঁঠাল,ছোলা মাখা এরকম সব জিনিস পাওয়া যায়। পাহাড়ের মাথায় পুজো করতে বসেন পুরোহিত। ছাগ বলিও দেওয়া হয়। চাষ ভাল হয় যাতে সেকারণেই এই পুজো হয়। তবে অন্ধকার নামার আগে এই পাহাড় থেকে নেমে আসতে হয় সকলকে।
কীভাবে যাবেন
হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে ঝাড়গ্রাম অথবা চাকুলিয়া স্টেশনে নামতে হবে। চাকুলিয়া স্টেশনের বাইরেই থাকে অটো। সেই অটোতে করে চলে আসতে হবে কানাইসর পাহাড়ের কাছে। সেখান থেকে ধাপে ধাপে চড়াই। কানাইসর পাহাড়ের একেবারে একেবারে মাথায় রয়েছে কানাইসর বাবার মন্দির। সেখানেই হয় আসল পুজো।












Click it and Unblock the Notifications