Kalimpong: সোনালি রোদ গায়ে মেখে বেড়িয়ে আসুন একেবারে অনামী এই অফবিট পাহাড়ি গ্রামে
ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম। ভোর সোনালি হয়ে যায় কাঞ্চনঙ্ঘা। নাম না জানা সব পাখিদের আনাগোনা। মনে স্বর্গ যেন এখানেই। বেড়িয়ে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অনামী পাহাড়ি গ্রাম তাকনায়। কালিম্পং জেলার অংশ এটি। চোখ জুড়ানো কাঞ্জনজঙ্ঘা আর পাইনের জঙ্গলে হারিয়েযেতে ইচ্ছে করবে।
কালিম্পং জেলার ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম তাকনা। নৈসর্গিক সৌন্দর্যে যেকোনও পাহাড়ি জনপ্রিয পর্যটন কেন্দ্রকে টেক্কা দিতে পারে তাকনা। কিন্তু এখনও পর্যটন মানচিত্রে তেমন জায়গা করে উঠতে পারেনি। কিন্তু তাতে হিডন জেমস বললে ভুল হবে না। গত তিন বছর ধরে ধীরে ধীরে তাকনায় গুটি কেক পর্যটকের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

তাকনার গা থেকে এখনও বুনো গন্ধ যায়নি। ছোট্ট ছোট্ট পাহাড়ি কাছের বাড়িতেই অতিথি আপ্যায়ণের বন্দোবস্ত। সারাদিন মনে হবে হোমস্টের বাইরে বসে কাটিয়ে দিতে। অতোটাই সুন্দর এখানকার ভিউ। পথের ধারে ছোট ছোটফুলগাছ। তাতে রংবেরঙের ফুল।
সন্ধে নামার মুখে পাহা়ড়ের নিঃসঙ্গ নিশ্চুপ পরিবেশ মুগ্ধ করবে। আকাশের রং বদল মুগ্ধ করে দেবে। তার পর ঝুপ করে নেমে যায় অন্ধকার। অন্ধকারে উল্টোদিকের পাহাড় দেখলে মনে হবে অজস্র মণিমানিক্য জ্বল জ্বল করছে। রাত পর্যন্ত হোমস্টের বাইরে বন্ড ফায়াকে কাটিয়ে দেওয়া যায় সময়।

তাকনা কালিম্পং জেলার ছোট্ট একটা পাহাড়ি গ্রাম। এখানে মূলত নেপালি ভাষাভাষিদের বাস। দূর থেকে দেখা যায় লামাহাট্টা, দার্জিলিং, লেবং দেখা যায়। স্লিপিং বুদ্ধার পুরো রেঞ্জটাই দেখা যায় এখান থেকে। গ্রামের পথে পথে ঘুরতে ফিরদে উঁকি িদয়ে যাবে কাঞ্জন জঙ্ঘা। পথে মিলবে অসংখ্য পাহাড়ি রংবেরঙের ফুল। গ্রামের চাষের জমি। পাহাড়ি গ্রামের জনজীবন দেখতে দেখতে অনেকটা সময় কেটে যাবে।
কালিম্পং থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে তাকনা। এনজেপি থেকে শেয়ার গাড়িতে চলে আসতে পারেন কালিম্পং। সেখান থেকে তাকনা গ্রামে পৌঁছে যান রিজার্ভ গাড়িতে। কালিম্পং থেকে পাওয়া যায় রিজার্ভ গাড়ি। আবার হোমস্টেতে বলে রাখলে তারাও গাড়ির ব্যবস্থা করে দেয়।












Click it and Unblock the Notifications