বসন্তে জঙ্গল আরও রোমান্টিক, ঘুরে আসুন এই জায়গা থেকে
বসন্ত মানে কিন্তু কেবল পাহাড় নয়। বসন্ত মানে জঙ্গলও। বসন্তে জঙ্গল আরও সুন্দরী হয়ে ওঠে। ফুলে ভরা গাছ, পাখিদের ডাক। বসন্তে জঙ্গলে যেন আগুন ধরায় প্রকৃতি। এই বসন্তে জঙ্গল সাফারি কিন্তু আরও রোমাঞ্চকর আর রোমান্টিক। সেসময় পশুপাখিরাও কিন্তু বেশ অন্য মেজাজে থাকে।
শীতের দাপট কমতে শুরু করেছে। গরম আসব আসব করছে। আর হালকা শীতে বেড়ানোর মজাই আলাদা। তারপরে সেটা আবার যদি হয় বসন্ত। প্রকৃতি এই সময় রূপসী হয়ে ওঠে। গাছে গাছে ফুলে ভরে ওঠে। পাখিরা মনের আনন্দে ডাকাডাকি করতে থাকে। ইতিমধ্যেই আমাদের ইট-কাঠের শহরেও কোকিলের ডাক শোনা যাচ্ছে।

তাহলে জঙ্গল এই সময় কতটা রূপসী হয়ে ওঠে কল্পনা করুন। এই সময় ঘুরে আসুন পাশের রাজ্য কাজিরাঙার জঙ্গলে । যেখানে এক শৃঙ্গ গণ্ডারের দেখা মেলে। আগে থেকে অসমের বনদফর মারফৎ সফারি আর ফরেস্ট ট্যুরিস্ট লজ কিন্তু বুক করে নিতে ছাড়বেন না। জঙ্গলে প্রবেশ করলেই বুঝতে পারবেন কতটা চেহারা বদলে দিেয়ছে প্রকৃতি।
চারিদিকে শাল-শিমুল-পলাশ গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে। আগুন রঙের পলাশে রঙিন হয়ে রয়েছে চারপাশ। আর সেই পলাশের গন্ধে পশু পাখিরা হাজির হচ্ছে গাছের নীচে। সে এক প্রক-তির সম্মোহন বললে ভুল হবে না। জঙ্গলের প্রবেশদ্বারেই অসংখ্য শাল-শিমূল গাছ। থোকা থোকা ফুল ধরে রয়েছে। গাছে গাছে কত পাখি যে বসে রয়েছে তা দেখে শেষ করা যায় না।
জঙ্গলের মাঝেই রয়েছে বুড়াপাহাড় রেঞ্জ। জিপসিতে যেতে যেতে দেখা পেয়ে যাবেন সেই জঙ্গলের আসল বাসিন্দাদের। এই বুড়া পাহাড় থেকেই পড়বে বিস্তীর্ণ তৃণভূমি যেখানে এক শৃঙ্গ গণ্ডারের বিচরণ ক্ষেত্রে। দেখা মিলতে পারে বুনো মহিষ, সম্বর। তার মাঝে আবার উঁকি দিয়ে যায় মাছরাঙা, পেলিক্যান। কাছেই রয়েছে জলাভূমি। আবার হাতির দলও ঘুরে বেড়ায়। তাদের আবার পরিবার বড়। পালে পালে দলবেধে ঘুরে বেড়ায় তারা।
শীতের জবুথবু ভাব কাটিয়ে এখন জঙ্গল একেবারে চাঙ্গা। কাজেই এই সময়ে ঘুরে আসুন এই জঙ্গলে।












Click it and Unblock the Notifications