Junput Sea Beach: দিঘার ভিড় এড়িয়ে চলে অসুন এই অচেনা সৈকতে, সপ্তাহান্তের ছুটিতে স্বাদ নিন ইলিশের
বর্ষা মানেই সমুদ্রের হাতছানি। ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় বেড়ানোর ঠিকানাও। পাহাড় নিরাপদ থাকে না বর্ষায়। তাই সমুদ্রই তখন সেরা। তাছাড়া সমুদ্রটা কলকাতার কাছাকাছি সপ্তাহান্তের ছুটিতে অনায়াসেই বেড়িয়ে আসা যায়।
আর নির্জন সমুদ্রসৈকত হলে তো কথাই নেই। দিঘা থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এমনই একটি অফবিট লোকেশন। যেখাবে সৈকতে তেমন ভিড় নেই। উল্টে প্রকতির সৌন্দর্য আরও নিবিড় সেখানে। জায়গাটির নাম জনপুট। সকেল দিঘা ছোটেন সমুদ্র দেখতে। এখন আবার নতুন হুজুগ হয়েছে মন্দারমনি আর ধুবলাগাড়ি সৈকত। কিন্তু জনপুটের সমুদ্র সৈকত বেশ মনোরম আর নিরিবিলি।

কাঁথি হয়ে জনপুট যাওয়া যায়। সিড্রাইভ রোড ধরে সোজা চলে গেলেই জনপুট। গুঁড়ি গুঁড়ি লাল কাঁকড়ার ছুটো ছুটি। আর ঝাউবন। এখানে থাকার তেমন খুব বেশি জায়গা নেই। হাতে গোনা কয়েকটি রিসর্ট এবং গেস্ট হাউস রয়েছে। সেকারণে আগে থেকে বুক করে যাওয়া ভাল। সপ্তাহান্তে বুকিং পাওয়া দুস্কর হয়ে যায়। কারণ বর্ষাকালে এখানকার িডমান্ড থাকে বেশি।
এখানকার সমুদ্রের বিস্তৃতি অনেকটা। এখানে উঁচু করে বাঁধানো রয়েছে। বাঁকিপুট জুনপুটের সমুদ্রের পাড়ে বাঁধ দেওয়া রয়েছে। সেখানে অনেক্ষণ কাটিয়ে দিতে পারেন। বিকেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেখানে বসে কাটিয়ে দেওয়া যায়। বাঁধের পাড়ে বসে ব সে সমুদ্রের ঢেউয়ের ওঠা পড়া দেখতে অসাধারণ লাগে।

এখান থেকে কাছেই রয়েছে একটি লাইট হাউস। ব্রিটিশ আমলের তৈরি সেই লাইট হাউসও দেখতে যেতে পারেন। সেখান থেকে অসাধারণ লাগে সমুদ্র। বাকিপুর-জুনপুটের আরেকটি আকর্ষণ হল মাছ। এখানে বর্ষা কালে এলে চিংড়ি, কাঁকড়া আর বাঙালির সবচেয়ে পছন্দের ইলিশ মাছ পেতে পারেন। একেবারে রসে পদে সমুদ্রের পাড়ে বসে মধ্যাহ্ন ভোজন সারুন। পুরো সপ্তাহের কাজ করার এনার্জি পেয়ে যাবেন












Click it and Unblock the Notifications