Travel: ডুয়ার্সের জঙ্গল বন্ধ, কিন্তু কলকাতার কাছে পিঠেই রয়েছে এমন জায়গা যেখানে পাবেন অরণ্যে ভ্রমণের সুযোগ
ডুয়ার্সের জঙ্গল বর্ষাকালে বন্ধ থাকে। কাজেই বর্ষায় সেখানে যাওয়ার বা বেড়ানোর অপশন একেবারেই নেই। কিন্তু জানেন কি শহর কলকাতার আশপাশেই রয়েছে এমন কিছু জঙ্গল যেগুলি সারা বছরই খোলা থাকে। অর্থাৎ বর্ষাতে জঙ্গলের অ্যাডভেঞ্জার নেওয়ার পুরো সুযোগ পাওয়া যায় এখনে।
বর্ষায় জঙ্গল আরও নিবিড় হয়ে ওঠে। গাছপালার সবুজ রং আরও সবুজ হয়ে যায়। জঙ্গলের মধ্যে বৃষ্টি দেখার রোমাঞ্চই আলাদা। আর সেটা যদি কলকাতার আশপাশে হয় তাহলে তো কথাই নেই। এমনই কলগুলি জায়গার সন্ধান রইল এখানে। যেখানে সপ্তাহান্তের ছুটিতে এসে জঙ্গলের মজা নেওয়া যায়।

সবার আগে যে জায়গাটির কথা আসে। সেটি হল পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়। সকলে শীতকালে অথবা বসন্তকালে অযোধ্যা পাহাড়ে যেতে চান। কিন্তু কখনও বর্ষা কালে অযোধ্যা পাহাড়ে গিয়েছেন কি। যদি না গিয়ে থাকেন তাহলে এখনই যান। কারণ বর্ষাকালে কিন্তু অযোধ্যা পাহাড়ের সৌন্দর্য দ্বিগুণ হয়ে যায়। সেখানে পাহাড়ের উপরে এবং পাহাড়ের কাছে থাকার অসংখ্য রিসর্ট রয়েছে। রয়েছে টেন্ট হাউসও।
দ্বিতীয় জায়গাটি হল বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গল। খুব সম্প্রতি বাঁকুড়ার জয়পুর জঙ্গলকে পর্যটকদের জন্য সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। সেখানে একাধিক রিসর্ট তৈরি হয়েছে। একেবারে জঙ্গলের মধ্যে সেগুলি। বড় বড় শালসেগুনের গাছের মাঝে রয়েছে সেই সব রিসর্ট। সেখানে মাঝে মাঝে হাতির দেখাও মেলে। কাজেই ডুয়ার্সের সঙ্গে খুব একটা ফারাক নেই।

আবার কলকাতার কাছেই রয়েছে বনফুল ট্রি হাউস। মোটা মোটা বাঁশের খুঁটির উপরে সব তৈরি হয়েছে কটেজ। আর চারপাশে সবুজের সমাহার। রয়েছে বড়দি পাহাড়। সেখানেও জঙ্গলের ছোঁয়া। পাহাড় নদী জঙ্গলের সহাবস্থান। সেখানেও বেশ কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসা যায়।
আর সকলের জনপ্রিয় গড় পঞ্চকোট তো রয়েইছে। একেবারে পাহাড়ের কোলে ফরেস্ট বাংলো। ছোট ছোট কটেজ। জঙ্গলে বুনো শুয়োড়দের দাপাদাপির শব্দও পাওয়া যায় এই রিসর্টের ঘরে বসে। এখন অনেক রিসর্ট তৈরি হয়েছে এখানে। জঙ্গল মহল বর্ষায় বেড়ানো এবং অ্যাডভেঞ্চারের আদর্শ জায়গা। বাঘমুণ্ডতে তৈরি হয়েছে বেশ কিছু রিসর্ট। শাল-পিয়ালের জঙ্গলের মধ্যে সপ্তাহের কটা দিন অনায়াসেই কাটিয়ে েদওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications