Jayanti Mahakal Dham: বর্ষায় জঙ্গল বন্ধ কিন্তু মহাদেব দর্শনে বাঁধা নেই, শ্রাবণ মাসে চলে আসুন এই শক্তিপিঠে
কঠিন পথ পেরিয়েই দর্শন করতে হয় শিবের। কেদার থেকে তুঙ্গনাথ সর্বত্র শিবের অবস্থান। সব শিবক্ষেত্রই দুর্গম। জানেন কি আমাদের রাজ্যেও রয়েছে এমনই এক দুর্গম শিবক্ষেত্র। যার নাম মহাকাল। যাঁরা ডুয়ার্সে বেড়াতে গিয়েছেন তাঁদের অনেকেই এই জাগার নাম শুনেছেন।
ভুটান সীমান্তে অবস্থিত এই মহাকাল শিবক্ষেত্র। একে দেশের ৫১ পিঠের এক পিঠও বলা হয়ে থাকে। অন্যান্য শিবক্ষেত্রের মতো এর পথও দুর্গম। তবে এর পথে যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধরা দেয় তা মোহময়। ভুটান পাহাড় বর্ষায় সবুজ হয়ে এঠে। জয়ন্তী নদীও জল পেয়ে প্রাণ ফিরে পায়। চারিদিকে সবুজের সমাহার তার মাঝে হেঁটে চলা শিবের দর্শন পেতে।

পথ খুব সুগম না হলেও দুর্গম নয়। ডুয়ার্সের এই শিবক্ষেত্র উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। শ্রাবণ মাসে শিবের দর্শন করতে আসেন এখানে সকলে। বর্ষায় জঙ্গল বন্ধ থাকে কিন্তু মহাকাল যাওয়ায় কোনও বাধা নেই। জলদাপাড়া অভয়ারণ্য থেকে গাড়িতে তিন কিলোমিটার যাওয়ার পর ট্রেক করতে হয়। ১ কিলোমিটার ট্রেক করে যেতে হয়। রাস্তা খুব একটা কঠিন নয়। শুধু ইচ্ছে থাকলেই হল।
পুরো ট্রেক উপভোগ করতে পারবেন সকলে। থেমে থেমে গেলে দেখতে পাবেন জয়ন্তীর সৌন্দর্য। মহাকালে প্রবেশ করলেই একটা ঘণ্টার ধ্বনি শোনা যায়। কোথা থেকে আসে সেই ঘণ্টা ধ্বনি সেটা সেখানে গেলেই বুঝতে পারবেন। সেখানে পৌঁছে মুগ্ধ হয়ে যেতে হবে। শিবরাত্রির সময় এখানে বেশি ভিড় হয়। এখানে জল নিতে আসেন পুন্যার্থীরা।

কাজেই যাঁরা শ্রাবণ মাসে শিব তীর্থে যেতে চাইছেন তাহলে তাড়াতাড়ি বেড়িয়ে আসুন এখানে। আলিপুরদুয়ার স্টেশনে নেমে গাড়িতে চলে আসুন এখানে। আবার জলদাপাড়া থেকেও গাড়ি পাওয়া যায় এখান আসার। কাজেই যাতায়াতে তেমন ঝক্কি নেই।












Click it and Unblock the Notifications