Janmashtami 2024: জন্মাষ্টমীতে গোপাল দর্শনে যাবেন কোথায়? ঘুরে আসুন বাংলার এই কৃষ্ণতীর্থে
আগামীকাল জন্মাষ্টমী। ঘরে ঘরে গোপালের আরাধনা। ইতিমধ্যেই পুজোর আয়োজন শুরু করে দিয়েছেন অনেকেই। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম বাংলায় না হলেও বাংলার সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের অমোঘ যোগ রয়েছে। কারণ এই বাংলাতেই জন্ম পরম কৃষ্ণভক্ত শ্রীচৈতন্যদেবের। যাঁকে শ্রীকৃষ্ণের এক অবতার বলেও মনে করা হয়। সেকারণে বরাবরই গোটা দেশের সঙ্গে জন্মাষ্টমী ধুমধাম করে পালন করা হয় বাংলাতেও।
এই দিন ঘরে ধরে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা চলে। নতুন পোশাকে সাজিয়ে তোলা হয় গোপালকে। দেওয়া হয় রাজভোগ, পায়েস। সেই গোপালের জন্মদিনে। দোকানে বাজারে গত কয়েকদিন ধরেই গোপালের পোশাক থেকে মিষ্টি সব কিছুই বিক্রি হচ্ছে। কোনও ভাবেই আয়োজনের কোনও খামতি রাখা হয় না। জন্মদিন বলে কথা।

অনেকেই এই বিশেষ দিনে কৃষ্ণের মন্দির দর্শন করতে চান। শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদ নিতে তাঁর মন্দিরে যান। বাংলায় রয়েছে একাধিক শ্রীকৃষ্ণের মন্দির। তার মধ্যে সবার আগে যে জায়গাটির নাম মাথায় আসলে সেটি হল নবদ্বীপ। যাকে দ্বিতীয় নীলাচল বলা হয়। এখানেই জন্ম শ্রীচৈতন্যদেবের। যাকে শ্রীকৃষ্ণের আরেক রূপ বলা হয়ে থাকে।
কলকাতা থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই নবদ্বীপ ধাম। এখানে শ্রীচৈতন্যেদেবের জন্মস্থান রয়েছে। একাধিক শ্রীকৃষ্ণের মন্দির রয়েছে। মহাধুমধাম করে এখানে উদযাপিত হয় জন্মাষ্টমী। এর কাছেই আরেকটি জায়গা হল মায়াপুর। এই মায়াপুরও কম পুণ্যস্থান নয়। এখান থেকেই গোটা বিশ্বের জনপ্রিয় তম শ্রীকৃষ্ণের অনুগামী সংস্থা ইস্কনের সূচনা হয়েছিল। এই মায়াপুর থেকেই শ্রী প্রভুপাদ প্রথম ইস্কনের সূচনা করেছিলেন। এখানেও মহা ধুমধাম করে উদযাপিত হয় জন্মাষ্টমী। এখানে একবার এলে আর যেতে ইচ্ছে করবে না।
আবার নবদ্বীপ ও মায়াপুরের পরেই যে জায়গায় জন্মাষ্টমী ধুমধাম করে উদযাপন করা হয় সেটি হল শান্তিপুর। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের শিক্ষাগুরু অদ্বৈত আচার্যের জন্মস্থান এই শান্তিপুর। তাঁর আদিবাড়ি রয়েছে এখানেই। যদিও সেই বাড়ি গঙ্গাগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। এই শান্তিপুরকে পরম তীর্থ বলে মনে করেন বৈষ্ণবরা। কারণ এখানেই সন্ন্যাস গ্রহণের পর এসেছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব। এখানেই অদ্বৈত আচার্য, নিত্যানন্দ এবং শ্রীচৈতন্যদেবের মিলন ঘটেছিল। এই শান্তিপুরে ঘরে ঘরে গোপালের পুজো হয়। জন্মাষ্টমী তিথিতে এখানকার উৎসব দেখার।
আবার জন্মাষ্টমীতে ঘুরে আসতে পারেন কাটোয়াও। কলকাতা থেকে বেশি দূরে নয় কাটোয়া। এই কাটোয়া শহরের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর নাম। এখানে কেশব ভারতীর কাছে শিক্ষা নিতে এসেছিলেন তিনি। একদিকে নবাবি ইতিহাস আরেকদিকে বৈষ্ণব তীর্থের সমাহার এই জায়গাটি। এই কাটোয়াতেই নিজের গুরু কেশব ভারতীর কাছে দীক্ষা নিয়েছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব।












Click it and Unblock the Notifications